Jamia Protest | ৩০ মিনিটের ডেডলাইন, জামিয়ায় আন্দোলনের আবহে কড়া অবস্থান কর্তৃপক্ষের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ায় (Jamia Millia Islamia) ছাত্র আন্দোলনকে (Jamia Protest) কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের অবস্থানস্থল খালি করার জন্য সোমবারে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ জারি করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, সকাল নয়টার পর থেকে আন্দোলনকারীদের এলাকা ছাড়ার জন্য মাত্র ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হবে।

ইতিমধ্যেই আন্দোলন প্রত্যাহারের একটি নথিতে শিক্ষার্থীরা স্বাক্ষর করেছেন বলে রেজিস্ট্রারের তরফে দাবি করা হয়েছে। এর পরেও যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে স্থান খালি না করা হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু রবিবার গভীর রাতে সমঝোতাপত্রে সই হওয়া সত্ত্বেও ক্যাম্পাসে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের একাংশ অবস্থান থেকে সরতে রাজি হননি, কারণ তাঁদের দাবি অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ হয়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) এবং ফ্র্যাটার্নিটি মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত দুজন পড়ুয়া অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্দোলনকারীদের প্রধানত তিনটি দাবি রয়েছে— ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা, বিক্ষোভ চলাকালীন অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য প্রকাশ্যে এসেছে। একাংশ পড়ুয়া আন্দোলন প্রত্যাহারের নোটিশ মেনে নিলেও অন্য অংশ এতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে, কারণ তাদের মতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো শক্ত প্রতিশ্রুতি মিলেনি। আন্দোলনকারীদের যুক্তি, ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো সাধারণ আশ্বাস নয়, বরং সঠিক তারিখ ঘোষণা করতে হবে। একই সঙ্গে চিফ প্রক্টর এবং সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরের মতো আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপের দাবিতে তারা অনড়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়েছিল যে, ছাত্র সংসদের সংবিধান অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি, আন্দোলন চলাকালীন পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে জারি করা শো-কজ ও বরখাস্তের নোটিশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তাকর্মীদের আচরণের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংবিধান অনুমোদন ও নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকা এবং অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় একাংশ ছাত্রের অসন্তোষ রয়েই গিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *