Donald Trump | ২০২৮-এর হোয়াইট হাউস দৌড়! ভান্স ও রুবিয়োকে সামনে রেখে ট্রাম্পের মাস্টারস্ট্রোক

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আমেরিকার শীর্ষ মসনদের লড়াই এখনও অনেকটা দূরে হলেও ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে উত্তরসূরি নির্বাচনের সলতে পাকানো শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান শিবিরের মুখ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনার পারদ চড়ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। সেই আবহে একটি ইঙ্গিত দিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এক সাক্ষাৎকারে দলের শক্তিশালী নেতৃত্ব কাঠামোর প্রশংসা করে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী দিনে তাঁর যোগ্য ব্যাটন উঠতে পারে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance) কিংবা বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর (Marco Rubio) হাতে। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটদের যোগ্য নেতার অভাব নিয়ে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি তিনি।

রবিবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, ২০২৮-এর নির্বাচন নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কিংবা মন্তব্য করাটা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। আগামী দিনে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির রদবদল ঘটতে পারে বলে তিনি মনে করান। তবে জল্পনা উসকে দিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আমার যা মনে হয় আমি বলতেই পারি। কিন্তু এত আগে কিছু বলার মানে হয় না। আমাদের হাতে দারুণ দারুণ কিছু নাম আছে। জেডি ভান্স, মার্কো রুবিয়ো এবং আরও অনেকে রয়েছেন। আমাদের বেঞ্চ খুব ভাল। ওদের (প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট) বেঞ্চই নেই।’’ ট্রাম্পের এই মন্তব্য দলের অন্দরে তৈরি হওয়া অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহকে এক ধাক্কায় প্রকাশ্যে এনে দিল। পাশাপাশি ট্রাম্পের এমন বার্তা ২০২৮-এ পুনরায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনাতেও কার্যত ইতি টেনে দিল।

আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় গুরুত্বপূর্ণ মিড-টার্ম নির্বাচন (Midterm Election) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ক্যাপিটল হিলে রিপাবলিকানদের আধিপত্য বজায় থাকবে কি না, তা নির্ধারিত হবে এই ভোটাভুটিতে। আপাতত প্রতিটি প্রদেশে জনসভা করে প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন ট্রাম্প।

কড়া অভিবাসন নীতির প্রয়োগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-আমেরিকা যৌথ বাহিনীর সামরিক তৎপরতায় ইরানে ঘনীভূত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে জ্বালানি সংকট। প্রভাব পড়েছে মার্কিন দেশের দৈনন্দিন বাজারদর ও জীবনযাত্রায়। ফলে এই পরিস্থিতিতে ভোটারদের মনোভাব মিড-টার্মের ব্যালট বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *