Jalpaiguri | সবুজ চুড়িতে সৌভাগ্যের খোঁজ, শ্রাবণে উপচে পড়া ভিড় প্রসাধনীর দোকানে, বাড়ছে বিকিকিনি

Jalpaiguri | সবুজ চুড়িতে সৌভাগ্যের খোঁজ, শ্রাবণে উপচে পড়া ভিড় প্রসাধনীর দোকানে, বাড়ছে বিকিকিনি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


অনীক চৌধুরী, জলপাইগুড়ি: শ্রাবণ মাস মানে মহাদেবের আরাধনা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শ্রাবণ মাসে সবুজ কাচের চুড়ি পরলে মহাদেব এবং পার্বতীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়। তাই মহিলারা এই মাসে সবুজ চুড়ি পরেন। প্রসাধনী দোকানগুলিতে এখন সবুজ চুড়ির বেশ চাহিদা। যদিও আগে শ্রাবণ মাসে সবুজ চুড়ি পরার চল অবাঙালিদের মধ্যে বেশি দেখা যেত। তবে ইদানীং বাঙালিরাও এই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন। শহরের প্রসাধনী দোকানগুলিতে গেলে চোখে পড়ছে সবুজ রংয়ের কাচের চুড়ি। পুজোর আগে ব্যবসায়ীদেরও ভালোই লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে (Jalpaiguri)।

সুবজ কাচের এই চুড়িকে অনেকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মনে করেন। অনেকে আবার লাল ও সবুজ রংয়ের চুড়ি মিলিয়ে পরছেন। এতে সৌন্দর্য এবং সৌভাগ্য আরও বৃদ্ধি পায় বলে মনে করছেন মহিলারা। এক ডজন সবুজ চুড়ি ৩০-৪০ টাকায় বিকোচ্ছে। ডিবিসি রোডের একটি দোকান থেকে সবুজ চুড়ি পরে বেরোচ্ছিলেন বছর সাতাশের অগ্নিভা পাল। তিনি বললেন, ‘শ্রাবণ মানে বর্ষা আর সবুজ রং। শুনেছি শ্রাবণের প্রথম সোমবার এই চুড়ি পরে শিবের মাথায় জল ঢাললে ভাগ্য পরিবর্তন হয়। তাই একবার এই চুড়ি পরে দেখি, সত্যি কিছু হয় কি না।’

আবার অনেকে সবুজ রংকে সুখ ও সমৃদ্ধির প্রতীক মনে করেন। সেই বিশ্বাস থেকে এই চুড়ি কিনছেন বলে জানালেন অঞ্জলি রায় বসু। দিনবাজারের একটি দোকান থেকে চুড়ি কিনতে কিনতে তিনি বললেন, ‘এই মাসে সবুজ চুড়ি পরলে শুনেছি সংসারে সুখসমৃদ্ধি আসে। আমরা তো সংসার সামলাই, তাই সেই আশায় এই টোটকা বেছে নেওয়া।’ সারাবছর টুকটাক কেনাকাটায় অনেক টাকা খরচ হয়। তাই বছরে একবার সবুজ চুড়ি কিনে পরলে খরচটা তেমন গায়ে লাগে না বলে জানান অঞ্জলি।

চাহিদা বেশি থাকায় অনেক দোকানে এই সবুজ চুড়ির দাম এখন অনেকটাই বেশি। যেসব সবুজ কাচের চুড়ির ওপর ডিজাইন রয়েছে সেগুলি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকা ডজনে। ডিজাইন ছাড়া চুড়ির দাম কম। সবুজ চুড়ির জোগান রাখতে হিমসিম খেতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তবে চাহিদা বেশি থাকায় লাভও হচ্ছে। এক প্রসাধনী দোকানের মালিক অসীম দাসের কথায়, ‘বছরের এই সময় অন্য সামগ্রী খুব একটা বিক্রি হয় না। তাই চুড়ির দাম একটু বেশি রাখলেও বিক্রি বেশ ভালোই হয়। এখন যা লাভ হবে সেটা দিয়ে পুজোর স্টক তুলব।’

আরেক ব্যবসায়ী বিকি দাস বলেন, ‘এই মাসে কাচের চুড়ির চাহিদা বেশি থাকে। আমরা শিলিগুড়ি থেকে চুড়ি নিয়ে আসি। আনার সময় অনেক চুড়ি ভেঙে যায়। তাই দাম একটু বেশি রাখতে হয়।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *