জলপাইগুড়ি : জলপাইগুড়িতে বধূকে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। বুধবার ওই বধূ তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগকারিণী জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দা।
কোতোয়ালি থানা সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তকে এদিনই আদালতে পেশ করা হবে। যদিও অভিযুক্ত তরুণের দাবি, ওই বধূ এবং তাঁর স্বামী তার কাছে টাকা চেয়েছিলেন। তা না দেওয়ায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, বধূ ও অভিযুক্ত তরুণ একই এলাকার বাসিন্দা এবং একে অপরকে চিনতেন। নির্যাতিতার অভিযোগ, গত ২ জুলাই মেয়েকে স্কুলে দিয়ে ফেরার পথে ওই তরুণের সঙ্গে দেখা হয়। অভিযুক্ত তাঁকে স্কুটারে উঠতে বলে। স্কুটারে ওঠার পর বধূকে জোর করে ঠান্ডা পানীয় খাওয়ানো হয়। এরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। নির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁর অজান্তে ওই ঠান্ডা পানীয়তে কিছু মিশিয়ে দিয়েছিল অভিযুক্ত তরুণ। ওই অবস্থায় তাঁকে শহর সংলগ্ন একটি রিসর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
নির্যাতিতার দাবি, ঘটনার ভিডিও করা হয়েছিল। ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত তাঁকে লাগাতার কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। বধূ তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। কুকর্মের ভিডিও দশমীর দিন সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করে দেয় অভিযুক্ত। এর পর পাড়ার একাংশ লোকজন বধূকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এদিন থানার সামনে দাঁড়িয়ে নির্যাতিতা এবং তাঁর স্বামী জানান, তাঁদের সম্মান নষ্ট করা হয়েছে। অভিযুক্তের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

