Jaish-e-Mohammed | জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, কাঠুয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম পাকিস্তানি জইশ জঙ্গি

Jaish-e-Mohammed | জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, কাঠুয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম পাকিস্তানি জইশ জঙ্গি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এক বড়সড় সাফল্য এল শুক্রবার। কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানে এক পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীকে খতম করল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত (Encounter) ওই জঙ্গি নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের (Jaish-e-Mohammed) সক্রিয় সদস্য ছিল। সীমান্তপাড় থেকে অনুপ্রবেশ করে উপত্যকায় বড়সড় নাশকতার ছক কষছিল সে, যা বানচাল করে দিল সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী।

শুক্রবার ভোরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ শাখা গোয়েন্দা সূত্রে খবর পায় যে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ারের ঘন জঙ্গল ও পাহাড় ঘেরা এলাকায় কিছু সশস্ত্র জঙ্গি গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। দেরি না করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (CRPF) একটি যৌথ দল এলাকাটি ঘিরে ফেলে। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় এবং জঙ্গলের ঘনত্ব বেশি থাকায় অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করে বাহিনী। ঘেরাটোপ মজবুত হতেই লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। বেশ কিছুক্ষণ স্থায়ী এই গুলির লড়াইয়ের শেষে নিকেশ হয় ওই পাকিস্তানি জঙ্গি।

বিল্লাওয়ারের এই সফল অপারেশনটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। গত ১০ দিন ধরেই এই এলাকায় নজরদারি তুঙ্গে ছিল। কয়েকদিন আগেই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এই একই এলাকা থেকে জঙ্গিদের তিনটি অত্যন্ত গোপন আস্তানা খুঁজে বের করে ধ্বংস করেছিল। গোয়েন্দাদের অনুমান, ওই আস্তানাগুলি থেকেই জঙ্গিরা তাদের অপারেশন পরিচালনা করছিল।

অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলাতেও গত তিন দিন ধরে বড়সড় ‘মাউন্টেন সার্চ অপারেশন’ চলছে। সোননার গ্রামের কাছে মন্ত্রাল-সিংপোরা এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াইয়ে গত রবিবার এক ভারতীয় প্যারাট্রুপার শহিদ হন এবং সাতজন জওয়ান স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পাহাড়ের ওপরের দিকে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। কিশতওয়ারের জঙ্গলে একটি সুসজ্জিত জঙ্গি ডেরা খুঁজে পেয়েছে পুলিশ, যেখানে শীতের পর্যাপ্ত রসদ, কম্বল ও বাসনপত্র মজুত ছিল।

উপত্যকায় শান্তি বিঘ্নিত করার কোনো চেষ্টাই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। বর্তমানে কিশতওয়ার ও কাঠুয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে জম্মু জোনের আইজিপি ভীম সেন তুতি এবং সিআরপিএফ-এর আইজি আর গোপাল কৃষ্ণ রাও ঘটনাস্থলে ক্যাম্প করছেন। ড্রোন এবং থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির সাহায্যে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা বাকি জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি জারি রয়েছে।

বিনা প্ররোচনায় সীমান্তে এই ধরনের অনুপ্রবেশ এবং জঙ্গি গতিবিধি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জ জানালেও, ভারতীয় সেনার দাঁতভাঙা জবাব সন্ত্রাসবাদীদের কোণঠাসা করে দিচ্ছে। কাঠুয়ায় জইশ জঙ্গির মৃত্যু উপত্যকার সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তার ভরসা জোগাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *