Indonesia | ক্রাকাতাওয়ের ভয়ংকর গর্জন! আগ্নেয়গিরির ধোঁয়ায় ঢেকে গেল আকাশ, লক্ষ লক্ষ যাত্রী আটকে বিমানবন্দরে

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) সুন্দা প্রণালীতে অবস্থিত আগ্নেয়গিরি ‘মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাও’-এর ভয়ংকর অগ্ন্যুৎপাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে দেশটির বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা। সুমাত্রা ও জাভার মাঝখানে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ থেকে ছড়িয়ে পড়া ছাইয়ের মেঘ রাজধানী জাকার্তা (Jakarta) সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে ঢেকে ফেলায় আটটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। এর ফলে বালি বিমানবন্দর সহ একাধিক রুটে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ায় দেশ-বিদেশের প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজারেরও বেশি যাত্রী মারাত্মকভাবে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে দু’হাজারের বেশি ফ্লাইট।

শুক্রবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই অগ্ন্যুৎপাতের জাভার দিকে ২০ হাজার ফুট এবং সুমাত্রা ও বানতেন প্রদেশে প্রায় ৫০ হাজার ফুট উঁচুতে ছাইয়ের কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে জাকার্তা ও Lampung প্রদেশের সমস্ত স্কুল বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন বা রিমোট লার্নিংয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে এবং আগ্নেয়গিরির ৩ কিলোমিটারের মধ্যে যেকোনো নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। তবে ভূতত্ত্ব সংস্থার প্রধান লানা সারিয়া জানিয়েছেন, বর্তমান এই অগ্ন্যুৎপাতে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।

ইতিমধ্যে হাজার হাজার যাত্রী বিমানবন্দরগুলিতে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে পড়েছেন। বালি থেকে জাকার্তা এবং সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে ইন্দোনেশোগামী বহু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় গর্ভবতী নারী থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা তীব্র বিপাকে পড়েছেন। আবহাওয়া চরম অনিশ্চিত থাকায় বিমানবন্দরগুলি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না পরিবহণ মন্ত্রী। ১৮৮৩ সালের ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির স্মৃতিবিজড়িত এই ক্রাকাতাওয়ের বর্তমান তাণ্ডব প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অফ ফায়ার’-এ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার নিরাপত্তাকে ফের এক চরম চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *