Humayun Kabir | ‘নতুন দল গড়ে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেব, কে কী করে দেখে নেব,’ চরম হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

Humayun Kabir | ‘নতুন দল গড়ে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেব, কে কী করে দেখে নেব,’ চরম হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) সভায় যোগ দেওয়ার জন্য বুধবারই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (MLA Humayun Kabir)। বৃহস্পতিবার সভাস্থলে প্রবেশ করার মুখেই খবর পেলেন, তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে! এমতাবস্থায় তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘কালই দল থেকে রিজাইন দিয়ে মুর্শিদাবাদে নিজের নতুন দল তৈরি করবো। প্রার্থী দেব ১৩৫ আসনে। দেখি কে কী করে?’

দলের উদ্দেশ্যে হুংকার দিতে হুমায়ুন কবীর সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ‘আগামী ২২ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) নিজের দলের (Personal Get together) ঘোষণা করব। তৃণমূল, বিজেপি সবার বিরুদ্ধে লড়ব, ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেব। কে কী করতে পারে দেখে নেব।’ এর আগে একাধিকবার দল বিরোধী বক্তব্যের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল হুমায়ুন কবীরকে। দলের কাছে ক্ষমা চেয়েও ফের নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন। আর এই অভিযোগে এদিন সকালেই তৃণমূল কংগ্রেস সাসপেন্ড করে হুমায়ুন কবীরকে। সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘোষণা করেন ফিরহাদ হাকিম। বহরমপুরের সভাস্থলে পৌঁছতেই সেই খবর কানে পৌঁছয় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে সভাস্থলে ছেড়ে বেরিয়ে যান রাগত হুমায়ুন। তখন সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলে তিনি বলতে থাকেন, ‘২০১৫ সালেও তাঁকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিল দল। কোনও নোটিশ ছাড়াই। এবারও একই ঘটনা।’

অন্যদিকে, গতকাল রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananada Bose) রাজ্যেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন হুমায়ুনের বেফাঁস মন্তব্যের জন্য যদি কোনওভাবে অশান্তির সৃষ্টি হয় তাহলে তিনি নিজে পদক্ষেপ করবেন। মানে হুমায়ুনকে আগাম গ্রেপ্তার করা হবে। আর রাজ্যপালের চিঠি দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেস।

উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন যখন তৃণমূল শিবির বেশ কিছু কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেখানে উলটো সুর শোনা গিয়েছিল হুমায়ুনের গলায়। তিনি বলেছিলেন, দলের কর্মসূচি নয়, ওইদিন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন। এ নিয়েই প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাত শুরু হয়। হুমায়ুনের কথায়, তাঁকে নাকি মসজিদের জন্য জমি দিতে চাইছে না প্রশাসন। তার জেরে জাতীয় সড়ক অবরোধের ডাক, এসডিপিও-র ‘কলার ধরার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। এ বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি দল। আজকের এই সিদ্ধান্ত তারই ফলাফল।

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *