Himanta Biswa Sarma’s cryptic put up will get a reply from Suvendu Adhikari

Himanta Biswa Sarma’s cryptic put up will get a reply from Suvendu Adhikari

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


এবার ওদের দুঃসময় শুরু হচ্ছে…! সোশাল মিডিয়ায় দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ছোট্ট খুনসুটি। তাতেই রীতিমতো জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেল। ঠিক কাদের দুঃসময়ের কথা বলছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং শুভেন্দু অধিকারী? তাই নিয়েই যাবতীয় চর্চা।

এই বিষয়ে আরও খবর

আসলে দু’জনের রাজনৈতিক কেরিয়ার কমবেশি একই রকম। একজন কংগ্রেসের ঘর থেকে তৈরি হয়ে বিজেপিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসন পেয়েছেন। সেই সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের নতুন হিন্দুত্বের ‘পোস্টার বয়ে’র তকমাও তাঁর নামের পাশে। আর একজনও কংগ্রেস-তৃণমূলের ঘরে বেড়ে উঠে বিজেপিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে পর্যন্ত হিন্দুত্বের কথা শোনা যেত তাঁর মুখেও। একজন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। আরেক জন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবারই দ্বিতীয় দফায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত। বিজেপি তথা এনডিএ শাসিত অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের মতো বাংলার নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সেই শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রত্যাশিতভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান হিমন্ত। পরে দু’জনের ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘ওদের জন্য খারাপ সময় আসছে।’ সেই পোস্টটি আবার রিটুইট করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রসিকতার সুরেই বলেন, ‘দুঃসময় কাদের জন্য সেটা আন্দাজ করলে কোনও পুরস্কার নেই।’ অর্থাৎ, অনায়াসেই আন্দাজ করা যায় দুঃসময়টা কাদের জন্য।

প্রশ্ন হল, দুই মুখ্যমন্ত্রী কাদের জন্য দুঃসময়ের কথা বলছেন? দু’জনেই হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দু’জনেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সরব। তাহলে কি তাঁদের নিশানায় অনুপ্রবেশকারীরা, নাকি আরও কেউ আছেন? তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে হিমন্তর শপথে যোগ দিয়ে এদিনই শুভেন্দু বলেছেন, অসমকে যেভাবে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করা হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা হয়েছে, বাংলাও সেই মডেল ফলো করবে। অসমে গিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছেন, “দেশের ভালোর জন্য অসমে, ত্রিপুরার যে কাজ হয়েছে, সেই কাজ সম্পূর্ণ করতে বাংলাতেও বিজেপি সরকার করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার মিটিংয়ে বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অসম, ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশ সমস্যা শেষ হয়ে গিয়েছে। বাংলাতেও আগে তুষ্টিকরণের সরকার ছিল। সেই সরকার বিএসএফকে জমি পর্যন্ত দেয়নি। দেশের সুরক্ষায় প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। অনুপ্রবেশ ইস্যু, বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা করার জন্য অসম যে কাজ করেছে, বাংলাতেও সেই পদক্ষেপ করা হবে।” তাহলে কি আগামী দিনে অসমের মতো বাংলাতেও এনআরসি হবে? সেই ইঙ্গিত কিন্তু দুই মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টেও রয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *