কী লিখবেন? বানান কী হবে? জনগণনার কাজের সহায়তায় জঙ্গলমহলে গ্রামে গ্রামে কমিটি কুড়মিদের

কী লিখবেন? বানান কী হবে? জনগণনার কাজের সহায়তায় জঙ্গলমহলে গ্রামে গ্রামে কমিটি কুড়মিদের

রাজ্য/STATE
Spread the love


কুড়মিদের জাতিসত্তা আন্দোলনের দাবি পূরণে ২০২৬-র জনগণনা সহায়ক হয়ে উঠতে পারে! তাই জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় কুড়মি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে বিশেষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত আদিবাসী কুড়মি সমাজের। যাতে ওই জনগণনায় জাতি, ভাষা ও ধর্ম সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়। ওই কমিটি জনগণনার কাজে আসা আধিকারিক ও কর্মীদেরকে সবরকম সহায়তা করবে। আদিবাসী কুড়মি সমাজ এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘সাওতা দহগি’।

আদিবাসী কুড়মি সমাজ গ্রামগুলিতে বৈঠক করে বিশেষ কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে। বৈঠকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে জাতি, ভাষা ও ধর্মের ক্ষেত্রে কুড়মি জনজাতির মানুষজনরা কি লিখবেন? তার বানান কী হবে। যাতে একই শব্দ, একই বানানে লেখা হয় সেটাই চাইছে আদিবাসী কুড়মি সমাজ। তাহলেই কুড়মি জনজাতির সঠিক গণনা হবে। আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা অজিতপ্রসাদ মাহাতো বলেন, “১৯৩১ সালের পর স্বাধীন ভারতে এই প্রথম জাতিভিত্তিক জনগণনা হচ্ছে। এই জনগণনা আমাদের জাতিসত্তা আন্দোলনের ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। জনগণনায় আমাদের জনজাতির তথ্য যাতে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয় সেই জন্য আমরা কুড়মি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে বিশেষ কমিটি গঠন করছি। যে কমিটি গ্রামে আসা জনগণনার জন্য প্রশাসনিক আধিকারিক ও কর্মীদেরকে ভালোভাবে সহায়তা করতে পারবে তাদের কাজের জন্য।”

আরও পড়ুন:

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরই জনগণনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে ঠিক কবে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কাজ শুরু হবে তা এখনই জানাতে পারেনি পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। জঙ্গলমহলের ৪ জেলায় কুড়মি অধ্যুষিত গ্রামের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। তার মধ্যে পুরুলিয়াতেই রয়েছে প্রায় ১৪০০ গ্রাম।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *