Hemtabad | প্রাক্তন মন্ত্রীর ‘ছায়াসঙ্গী’ এবার পুলিশের জালে, নেপথ্যে বড় রহস্য?

Hemtabad | প্রাক্তন মন্ত্রীর ‘ছায়াসঙ্গী’ এবার পুলিশের জালে, নেপথ্যে বড় রহস্য?

শিক্ষা
Spread the love


হেমতাবাদ: সাত লক্ষেরও বেশি টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন বিধায়ক সত্যজিৎ বর্মনের ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইমরান আলীকে প্রতারণার (Fraud Case) অভিযোগে গ্রেপ্তার করল হেমতাবাদ থানার পুলিশ। স্বাস্থ্য দপ্তরে গ্রুপ ডি পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার ধৃতকে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ইমরান আলীর বাড়ি হেমতাবাদ (Hemtabad) থানার বাঙাল বড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসন এলাকায়। ইমরান স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং একটি স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতিও। বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা সাজ্জাদ হুসেন নামে এক ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুন মাসে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে ইমরান তাঁর কাছ থেকে ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ধার নেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ ইমরানকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, এটি কেবল সাধারণ ধার নেওয়ার ঘটনা নয়। সরকারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়েই এই বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় এলাকায় রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

শুক্রবার রায়গঞ্জ আদালতে ধৃত ইমরান আলীকে পেশ করা হয়। সরকারি আইনজীবী অতনু দাস জানিয়েছেন, দুই পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ সওয়াল-জবাব হয়েছে। বিচারক এখনও জেল বা পুলিশি হেপাজতের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি।প্রাক্তন মন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী এবং দাপুটে নেতা হওয়ার সুবাদে এই প্রতারণার নেপথ্যে আরও বড় কোনো চক্র কাজ করছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *