Haldibari | হাসপাতালের জেনারেটরে নেই তেলের জোগান, ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসা পরিষেবা

Haldibari | হাসপাতালের জেনারেটরে নেই তেলের জোগান, ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসা পরিষেবা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


হলদিবাড়ি: লোডশেডিং হলেই অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে হলদিবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল। এর জেরে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের পরিষেবা। বিপাকে ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর। অন্ধকারে মোমবাতি বা মোবাইলের আলোতে ইমার্জেন্সি পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছেন চিকিৎসক সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিগত এক মাস ধরে এমন সমস্যায় ধুঁকছে এলাকার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। লোডশেডিংয়ের সময় মুমূর্ষু রোগীদের লাইফ সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে শঙ্কায় রোগীর পরিজনরা। এই সমস্যার সমাধান দ্রুত চাইছেন রোগীর পরিজন সহ স্থানীয়রা।

গ্রামীণ হাসপাতালটিতে ডিজেলচালিত একটি অত্যাধুনিক জেনারেটর রয়েছে। ভবনটি চালু হওয়ার পর থেকেই জেনারেটরটির ডিজেলের জোগান দিয়ে আসছে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তর। ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, ওই জেনারেটরটি সচল রাখতে প্রতি মাসে গড়ে ৭০ লিটার করে ডিজেল লাগে। কিন্তু অজানা কারণে গত এক মাসে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তর ডিজেলের জোগান বন্ধ করে রেখেছে। কারণ নিয়ে অবশ্য খোদ ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর ধোঁয়াশায়। পাশাপাশি, বর্তমানে মাঝেমধ্যেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। আর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। সেসময় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন হাসপাতালের অন্তর্বিভাগের রোগীরা। স্থানীয় তরুণ সুকমল দাস বলেন, ‘গত সপ্তাহে ব্যাপক বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাত শুরু হতেই লোডশেডিং শুরু হয়। রাতে দীর্ঘ চার ঘণ্টা মোমবাতি জ্বালিয়ে ও মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে আলোর ব্যবস্থা করতে হয়। তার মধ্যেই রোগীদের চিকিৎসা করা হয়।’ জানা গিয়েছে, বিদ্যুৎ চলে গেলে বিদ্যুৎচালিত বিভিন্ন লাইফ সাপোর্ট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। পাখা না ঘোরায় গরমে রোগীদের সমস্যা হয়। রোগীর সঙ্গে আসা এক আত্মীয় অণিমা রায়ের কথায়, ‘হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে গেলে কোনও ইমার্জেন্সি জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই। অন্ধকারে রোগীরা ইনজেকশন নিতে ভয় পাচ্ছেন। এ ছাড়াও প্রচণ্ড গরমে শিশু সহ বৃদ্ধদের সমস্যা হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যেই রাত কাটে রোগীদের। অথচ হাসপাতাল চত্বরে রয়েছে ইমার্জেন্সি বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার জন্য ঝাঁ চকচকে জেনারেটর, যা আগাছায় ঢেকে গিয়েছে।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের বিএমওএইচ ডঃ সত্যেন্দ্র কুমার বলেন, ‘অন্ধকারে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে গিয়ে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়েও রোগীরা ভয় পাচ্ছেন। বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরে আনা হয়েছে।’ রোগীকল্যাণ কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন বিধায়ক অর্ঘ্য রায়প্রধান জানিয়েছেন, ওই জেনারেটরের তেলের জোগান দেওয়ার বিষয়টি পূর্ত দপ্তর, বিডিও, এসডিও, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সকলের নজরে আনা হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *