কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একাধিক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ দোলা সেন। মামলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পাশাপাশি অপর দুই নির্বাচন কমিশনারকেও পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।
কেন্দ্র সরকার নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করার পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন হন জ্ঞানেশ কুমার। সেই সময় থেকেই দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই নিয়োগের বিরোধিতা করে আসছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কর্মসূচি। তবে এই সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু বৈধ ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পশ্চিমবঙ্গেও বহু ভোটারের আবেদন এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর। সেখানে দাবি করা হয়, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি সম্পূর্ণ একতরফাভাবে নিচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার। কমিশনের অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কোনও আলোচনা তো করা হচ্ছেই না, বরং একাধিক সিদ্ধান্তে তাঁরা বারবার আপত্তি জানালেও তাতে মোটেই কর্ণপাত করা হয়নি। এই তথ্য সামনে আসতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করে বিরোধী শিবির এবং বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াইয়ে নামে মমতার দল।

