Gorumara Guard Scarcity | গরুমারায় নিরাপত্তার হাহাকার! ৩০ জনের জায়গায় মাত্র ৭ বনরক্ষী, চোরাশিকারিদের নিশানায় গণ্ডার?

Gorumara Guard Scarcity | গরুমারায় নিরাপত্তার হাহাকার! ৩০ জনের জায়গায় মাত্র ৭ বনরক্ষী, চোরাশিকারিদের নিশানায় গণ্ডার?

শিক্ষা
Spread the love


শুভদীপ শর্মা, লাটাগুড়ি: গরুমারা জাতীয় উদ্যান বর্তমানে পর্যাপ্ত বন্দুকধারী বনরক্ষীর (Gorumara Guard Scarcity) সংকটে ভুগছে। ফলে জঙ্গল পাহারা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ছে। কর্মীসংখ্যা কম থাকায় বনকর্মীদের অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে। স্থায়ী বনরক্ষীর পরিবর্তে অরণ্য সাথী, ফরেস্ট ভলান্টিয়ার ও বনসহায়কদের দিয়ে কাজ চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় উদ্যানের নিরাপত্তা জোরদার করতে দ্রুত প্রশিক্ষিত ও সশস্ত্র বনরক্ষী নিয়োগ করা জরুরি, পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

উত্তরবঙ্গ বন্যপ্রাণ বিভাগের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি এবিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

গরুমারায় (Gorumara Nationwide Park) ২০০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ৭ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৯ প্রজাতির কচ্ছপ, ৩২ প্রজাতির প্রজাপতি ও ৩০০ প্রজাতির পাখির বাস। গরুমারায় বর্তমানে ৬০টি গন্ডার, প্রায় দেড় হাজার বাইসন, কয়েকশো প্রজাতির হরিণ, প্রচুর হাতি রয়েছে। জাতীয় উদ্যানের শিরোপা মেলার পর থেকে একদিকে গরুমারার গুরুত্ব যেমন বেড়েছে সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে গরুমারায় নিযুক্ত বনকর্মীর সংখ্যা। গরুমারায় উত্তর ও দক্ষিণ দুটি রেঞ্জ রয়েছে। গরুমারা উত্তর রেঞ্জে রয়েছে খুনিয়া, চাপড়ামারি ও মূর্তি বিট এবং দক্ষিণ রেঞ্জে রয়েছে ধূপঝোরা, বুধুরাম, গরুমারা, ও বিচাভাঙ্গা বিট। বিস্তৃত জঙ্গলে বুনোদের নিরাপত্তার জন্য রেঞ্জ অফিসার, বিট অফিসার মিলে আনুমানিক ৩৫ জন স্থায়ী ও ৫০ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন।

বন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গরুমারার আয়তন ও কাজের চাপ অনুযায়ী যেখানে কমপক্ষে ৩০ জন স্থায়ী বনরক্ষীর প্রয়োজন সেখানে গরুমারায় স্থায়ী বনরক্ষী রয়েছেন মাত্র ৭ জন। তাঁদের মধ্যে একজন বনরক্ষী অবসরের দোরগোড়ায় চলে এসেছেন। সাধারণত এই বনরক্ষীরা বন্দুক চালাবার প্রশিক্ষণ পান।

গরুমারার একশৃঙ্গী গন্ডার বারবার চোরাশিকারিদের নিশানায় পড়েছে। এর জন্য মাঝেমধ্যে গরুমারায় হাই অ্যালার্ট থাকে। এই ধরনের কোনও চোরাশিকারির সামনে কোনও অরণ্য সাথী, ফরেস্ট ভলান্টিয়ার ও বনসহায়ক পড়লে, বন্দুক ছাড়া তাঁর অবস্থা কী হবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

এছাড়া কর্মীসংকটের জেরে জঙ্গলে সঠিকভাবে নজরদারি চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এর ফলে কয়েকদিন আগে মেদলা নজরমিনার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের গভীরে একজন ঢুকে গিয়েছিল। মঙ্গলবার ওই ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় জঙ্গলের নজরদারির কী অবস্থা সেবিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *