শিলিগুড়ি: পাহাড় ও সমতলের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ির প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি পুরনিগম (SMC) সফরে এলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সদ্য নির্মিত অত্যাধুনিক ‘প্ল্যাটিনাম জুবিলি’ ভবনের অধিবেশন কক্ষ পরিদর্শন করার পাশাপাশি কাউন্সিলরদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন তিনি। তবে প্রশাসনিক আলোচনার মাঝেই মন্ত্রীর নিশানায় উঠে এল ‘ধর্মীয় রাজনীতি’, যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
‘মডেল’ পরিকাঠামোয় মুগ্ধ মন্ত্রী
এদিন পুরনিগমের নতুন প্রশাসনিক ব্লকের পরিকাঠামো দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ফিরহাদ হাকিম। নবনির্মিত ‘অধিবেশন কক্ষ’ এবং ভবনের আধুনিক নকশার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই ধরনের পরিকাঠামো নাগরিক পরিষেবা প্রদানে আরও গতি আনবে।
কাউন্সিলরদের প্রতি কড়া বার্তা: “মানুষের কাছে পৌঁছান”
অধিবেশন কক্ষে সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন মন্ত্রী। উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান নেওয়ার পাশাপাশি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সংগঠনের ভিত শক্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। কাউন্সিলরদের উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা— কেবল দপ্তরে বসে নয়, সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে।
“বাংলায় ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চলে না”
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ হাকিম ফের একবার ধর্মনিরপেক্ষতার সপক্ষে সওয়াল করেন। নাম না করে বিজেপিকে বিঁধে তিনি জানান, “বাংলা সংস্কৃতির পীঠস্থান, এখানে ধর্ম নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি মানুষ গ্রহণ করবে না। সেই সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, মন্দির বা মসজিদের মতো পবিত্র স্থানকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা অত্যন্ত অন্যায়।
