Former TMC MLA Loss of life | রামপুরহাটের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু! দলীয় কার্যালয় থেকেই উদ্ধার দেহ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বীরভূমের রাজনীতিতে স্তম্ভিত করা ঘটনা। রামপুরহাটের পাঁচবারের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ও মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু (Former TMC MLA Loss of life)। ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের (Rampurhat) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাটতলাপাড়ায় নিজ বাসভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে আশিসবাবুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দেহ দেখতে পেয়ে ভিড় জমান। খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও (Suicide notice) উদ্ধার হয়েছে। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, সুইসাইড নোটে ঠিক কী লেখা আছে—সেসব বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা রামপুরহাটের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তিনি কৃষি ও স্কুলশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার পদও পেয়েছিলেন। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে ২৪ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হন তিনি। নির্বাচনি পরাজয়ের পর থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছিলেন।

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আকস্মিক ও রহস্যময় মৃত্যুসংবাদে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। খবর পেয়ে স্তম্ভিত তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডল। শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এত ভাল লোক, কেন এই কাজ করলেন বুঝতে পারছি না। ওঁর কোনও শত্রু ছিল না, কারো সঙ্গে কোনও ঝগড়াও ছিল না। অত্যন্ত নিরীহ ও শান্ত লোক ছিলেন তিনি।’

রাজ্যে রাজনৈতিক রদবদল ও নানা টানাপোড়েনের মধ্যে এই প্রবীণ নেতার রহস্যমৃত্যু নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল। পুলিশ আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সুইসাইড নোটটি খতিয়ে দেখে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *