Flying Automotive | বিএ পাস যুবকের তৈরি উড়ন্ত গাড়ি: ১৩ বছরের নিজস্ব প্রচেষ্টায় তাক লাগালেন উত্তরাখণ্ডের রবি তামতা

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ প্রথাগত বিজ্ঞান বা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া জেলার কাফলিখানের বাসিন্দা রবি তামতা (Ravi Tamta)। মেকানিকের ছেলে রবি, যিনি পেশাগতভাবে বিএ (Bachelor of Arts) স্নাতক, ইন্টারনেট ও নিজস্ব টানা গবেষণাকে সম্বল করে তৈরি করে ফেলেছেন একটি সিঙ্গেল-সিটার ইলেকট্রিক ফ্লাইং কারের (Flying Automotive) প্রোটোটাইপ।

তার তৈরি উদ্ভাবনী যানটির নাম ‘HAPIDA SKYNeX’। গত আগস্ট মাসে গাড়িটির সফল টেস্ট ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চলে জরুরি চিকিৎসা ও যোগাযোগের সুবিধার কথা ভেবেই তিনি নিজস্ব স্টার্টআপ ‘হাপিদা স্কাই প্রাইভেট লিমিটেড’-এর মাধ্যমে এই উদ্যোগ নেন।

প্রোটোটাইপের প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য

  • ভার্টিকাল টেক-অফ: রানওয়ে ছাড়াই মাল্টিরোটার ড্রোন প্রযুক্তির মতো সোজা উপরে ওঠানামা করতে সক্ষম।
  • পরিবেশবান্ধব: বহুসংখ্যক মোটরের সাহায্যে ব্যাটারিতে পরিচালিত; এতে অ্যাভিয়েশন ফুয়েল বা ইথানলের প্রয়োজন নেই।
  • ডিজাইন: হালকা ফ্রেম, আধুনিক ককপিট ও ট্রান্সপারেন্ট ক্যানোপি।

পাহাড়ি এলাকার আঁকাবাঁকা দীর্ঘ রাস্তায় হাসপাতালে পৌঁছানোর কঠিন বাস্তবতা থেকেই রবির মাথায় উড়ন্ত গাড়ির চিন্তা আসে। পারিবারিক সমর্থন ও ইন্টারনেটের সহায়তায় দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ধাপে ধাপে নিজের জ্ঞান বাড়িয়েছেন তিনি। এর আগেও রবি ফোন চার্জিং জুতো, দৃষ্টিহীনদের জন্য স্মার্ট লাঠি, বাঁশ কাটার যন্ত্র এবং অগ্নিনির্বাপক সামগ্রী তৈরি করে সংবাদের শিরোনামে এসেছিলেন।

এই পরীক্ষাটি একটি প্রাথমিক মাইলফলক মাত্র। বাণিজ্যিকভাবে আকাশে ওড়ার আগে নিরাপত্তা, ব্যাটারির সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা যাচাইয়ের পাশাপাশি ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (DGCA)-এর অনুমতি প্রয়োজন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *