Falakata Compensation Protest | টাকা মেলেনি, কেন মাটি ফেলা? ফালাকাটার আসাম মোড়ে মহাসড়কের কাজ রুখে দিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা, উত্তাল এলাকা

Falakata Compensation Protest | টাকা মেলেনি, কেন মাটি ফেলা? ফালাকাটার আসাম মোড়ে মহাসড়কের কাজ রুখে দিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা, উত্তাল এলাকা

শিক্ষা
Spread the love


ফালাকাটা: জমি ও ঘরবাড়ির ন্যায্য পাওনা মেলেনি, অথচ চলছে মহাসড়ক নির্মাণের কাজ (Falakata Compensation Protest)। এই অভিযোগে শনিবার সকালে ফালাকাটার আসাম মোড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের মাটি ফেলার কাজ আটকে দিয়ে বিক্ষোভে শামিল হলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আগেই রাতের অন্ধকারে ডাম্পার দিয়ে মাটি ফেলে দোকান ও মন্দিরের চারপাশ ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয় ফালাকাটা থানার পুলিশকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ফালাকাটা-সলসলাবাড়ি নির্মীয়মাণ মহাসড়কের জন্য অনেকের জমি, ঘরবাড়ি ও দোকান অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সেই বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। অথচ রাতের অন্ধকারে ডাম্পারে করে মাটি ফেলে অনেকের দোকানের সামনে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্য লাটে উঠেছে। এমনকি রাস্তার ধারের একটি মন্দিরের চারপাশও মাটি ফেলে ঘিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। শনিবার সকালেও ডাম্পার এসে মাটি ফেলতে শুরু করলে ধৈর্য হারান স্থানীয়রা এবং কাজ বন্ধ করে দেন।

বিক্ষোভ চলাকালীন এক করুণ দৃশ্যের অবতারণা হয়। এক গৃহবধূ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে হাউ হাউ করে কাঁদতে থাকেন। তাঁর অভিযোগ, ৪৪ ডেসিমেল জমির মূল্য আজও তিনি পাননি। তাঁর মতো অনেকেই এখন ঘরছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ফালাকাটা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রবিকুমার মিঞ্চ এবং পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ দীপক সরকার। তাঁরা ওই গৃহবধূকে সান্ত্বনা দেন এবং স্থানীয়দের দাবির পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।

পুলিশের মধ্যস্থতায় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয়দের আলোচনা হয়। আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, শুধুমাত্র ফাঁকা জায়গায় মাটি ফেলা হবে; কোনো ঘরবাড়ি বা মন্দিরের ক্ষতি করা হবে না। স্থানীয়রা জেলা প্রশাসনের কাছে তাঁদের পাওনা নিয়ে জানতে আগামী মঙ্গলবার ‘ডুয়ার্সকন্যা’য় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, “ক্ষতিপূরণ না পেলে কেউ দোকান বা ঘরবাড়ি ভাঙবেন না।”

উল্লেখ্য, এই মহাসড়ক নির্মাণ নিয়ে ফালাকাটার রাইচেঙ্গাতেও একই রকম জমি জট ও বাধার মুখে পড়েছিল কর্তৃপক্ষ। আসাম মোড়ের এই নতুন বিতর্ক কাজ শেষ করার পথে আরও বড় প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *