Donald Trump | ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডারকে নিয়ে ট্রাম্পের বি স্ফো র ক বার্তা, যু দ্ধে র হুঁ শি য়া রি ওয়াশিংটনের

Donald Trump | ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডারকে নিয়ে ট্রাম্পের বি স্ফো র ক বার্তা, যু দ্ধে র হুঁ শি য়া রি ওয়াশিংটনের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা তথা সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই আদেও বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই এবার ইরানের শীর্ষ নেতাকে কেন্দ্র করে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একদিকে তিনি যেমন জানিয়েছেন যে, মোজতবা খামেনেইয়ের সঙ্গে দেখা করার কোনও ব্যক্তিগত ইচ্ছা তাঁর নেই, তেমনই আবার সুর নরম করে বলেছেন, সাক্ষাৎ হলে তিনি ‘সম্মানিত’ বোধ করবেন। তবে এই সৌজন্যের আড়ালেই ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার এবং নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যৌথ সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল। পশ্চিম এশিয়ার কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, ওই জোড়া হামলাতেই মৃত্যু হয় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানের মসনদে বসানো হয় মোজতবা খামেনেইকে (Mojtaba Khamenei)। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। আড়ালে থেকেই মাঝেমধ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন তিনি। সদ্য দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা দাবি করেছেন, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে এখন ইরানের অন্দরে বিভাজনের বীজ বপন করতে চাইছে।

এই চরম উত্তেজনার মাঝেই বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলা কূটনৈতিক আলোচনার স্বার্থে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসতে আগ্রহী। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই না। কিন্তু যদি সাক্ষাৎ হয়, তবে আমি সম্মানিত বোধ করব।’ কোন পরিস্থিতিতে তিনি ইরানের নেতার মুখোমুখি হতে পারেন, তারও খোলসা করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘যদি দু’দেশের মধ্যে কোনও স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হয়, তবেই খামেনেইয়ের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হতে পারে। তাতে আমার কোনও আপত্তি থাকবে না।’

কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার বার্তা দিলেও তেহরানের ওপর সামরিক চাপ একচুলও কমাচ্ছে না ওয়াশিংটন। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে পারদ চড়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী ও একাধিক সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে দু’পক্ষের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চললেও, ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আমেরিকার এই হুমকির পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। তাদের হুঁশিয়ারি, ইরানের ওপর নতুন করে হামলা হলে আমেরিকাকে এর জন্য ‘চরম মূল্য’ চোকাতে হবে।

পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানি হামলায় যদি একজন আমেরিকান সেনারও মৃত্যু হয়, তবে সেটাই হবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু করার ‘বড় কারণ’। একই সঙ্গে আমেরিকার তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরানকে কোনও অবস্থাতেই পারমাণবিক বোমা বা অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে ইরানের মজুত থাকা সমস্ত ইউরেনিয়াম (Nuclear Uranium) বাজেয়াপ্ত করতে পারে মার্কিন সেনা। সব মিলিয়ে, মোজতবার অন্তর্ধান রহস্য এবং ট্রাম্পের রণংদেহি মেজাজে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ফের যুদ্ধের কালো মেঘে ঢাকতে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *