Donald Trump | ‘আই হ্যাভ হ্যাড এনাফ’, সংবাদিকের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়! সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প

Donald Trump | ‘আই হ্যাভ হ্যাড এনাফ’, সংবাদিকের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়! সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ক্যালিফোর্নিয়ার ভোট গণনা নিয়ে বিতর্ক আর মার্কিন রাষ্ট্রপতির মেজাজ—সব মিলিয়ে রবিবার এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী হলো বিশ্ব। বিখ্যাত টিভি চ্যানেলের জনপ্রিয় শোয়ের ইন্টারভিউ চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়েলকারের বাক্যবিনিময় ঘটে, যা শেষ পর্যন্ত একটি নাটকীয় পরিণতির দিকে মোড় নেয়।

ইন্টারভিউয়ের শুরু থেকেই পরিস্থিতি ছিল টানটান। ক্যালিফোর্নিয়ার ভোট গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ভোটগ্রহণের চার-পাঁচ দিন পরেও ফলাফল না আসা মানেই সেখানে ‘কারচুপি’ চলছে। এর সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে কি না—ওয়েলকার বারবার জানতে চাইলে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি কোনো প্রমাণ না দিয়ে বরং অভিযোগ করেন, নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া একটি ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশের’ মতো।

সাংবাদিক ওয়েলকার যখন পেশাদারিত্বের সঙ্গে মনে করিয়ে দেন যে, ক্যালিফোর্নিয়ায় ভোট গণনার এই সময়সীমা আইনসম্মত এবং কর্মকর্তারা তা দ্রুত করার চেষ্টা করছেন, তখনই ধৈর্য হারান ট্রাম্প। তিনি ওয়েলকারকে ‘কুটিল’ (crooked) এবং ‘বোকা’ (silly) বলে সম্বোধন করেন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার মূল ধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর নেটওয়ার্কগুলোকেও তিনি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘কুটিল’ বলে আক্রমণ করেন।

ওয়েলকার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করলে প্রেসিডেন্ট চিৎকার করে বলেন, “তুমি হয় কুটিল, নয়তো বোকা। তোমরা সবাই মিলে এই জালিয়াতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছ।” এরপরই চূড়ান্ত নাটকীয় মুহূর্তে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, “আই হ্যাভ হ্যাড এনাফ! থ্যাঙ্ক ইউ, ডার্লিং।” এই বলেই তিনি নিজের মাইক্রোফোনটি খুলে সরাসরি মাটিতে ছুড়ে ফেলেন এবং সাক্ষাৎকার অসমাপ্ত রেখেই বেরিয়ে যান। সাক্ষাৎকার ছেড়ে যাওয়ার সময় ট্রাম্পের দাবি ছিল, তিনি এই সাংবাদিকের জন্য দীর্ঘ সময় বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে যথেষ্ট সময় দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এটিই প্রথমবার নয়; এর কয়েকদিন আগেও তিনি এক সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আচরণ নিয়ে এখন মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। গণমাধ্যমের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির এই ‘সংঘাত’ আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *