Distinctive in the future Durga Puja organised in Asansol

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


মহালয়ায় দেবী দুর্গা মর্ত্যে পা দিলেন। পূজিত হলেন। আবার মহালয়াতেই ফিরে যাবেন কৈলাসে। আসানসোল শিল্পনগরীর বার্নপুরের কালীকৃষ্ণ আশ্রমে অভিনব একদিনের দুর্গাপুজোর আয়োজন। তাতে মেতে উঠলেন স্থানীয়রা।

হীরাপুরের ধেনুয়া গ্রামে এই পুজো হয়ে আসছে বছরের পর বছর। দশভুজা দেবী এখানে সিংহবাহিনী হলেও অসুরদলনী নন। দুর্গার সঙ্গে থাকেন দুই সখী জয়া ও বিজয়া। মন্দিরের পিছনের পুকুর থেকে নবপত্রিকা স্নান করানো হয়। এরপর শুরু হয় দেবী আরাধনা। সেইমতো শনিবার ভোর থেকে হীরাপুরের ধেনুয়া গ্রামে দামোদরের নদীর তীরে কালীকৃষ্ণ আশ্রমে শুরু হয়েছে দুর্গাপুজো। এই একদিনেই ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পুজো হয়। দশমীর মতো হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। একদিনের এই অভিনব এই দুর্গাপুজো দেখতে বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে হাজির হন ধেনুয়া গ্রামে।

আরও পড়ুন:

বিভিন্ন অ্যাখ্যান অনুযায়ী, পুজোর লোকাচারগুলি পালন করা হয়। চার রকমের ভোগ তৈরি করতে হয় একদিনেই। দশমীর পুজো শেষে ঘট বিসর্জন হয়। তবে মাতৃপ্রতিমা রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন পাঁচদিনের দুর্গাপুজো এই একদিনে করা হয়? সেবাইত বলেন, “এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও সেবাইত ছিলেন যতীন মহারাজ। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে এই আশ্রমে আসেন তেজানন্দ ব্রহ্মচারী। স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি এই পুজো শুরু করেন। সেই থেকে আজও নিয়মে কোনও ছেদ নেই। এখনও চলছে একদিনের পুজো।” ধেনুয়া গ্রামের বাসিন্দারা একদিনের এই পুজোয় মেতে ওঠেন প্রত্যেক বছর। বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ আসামাত্রই তা মিলিয়ে যাওয়ায় মন যেন বিষন্ন হয়ে যায় সকলের।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *