উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : অগাস্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভে নেমেছেন ‘বঞ্চিত’ মহিলারা। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণের সময় বিষয়টি নিয়ে সরব হন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি এই বিক্ষোভের নেপথ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের উসকানিকেই দায়ী করেছেন।
দিলীপ ঘোষের কথায়, “অভ্যাস হয়ে গিয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে। এটাও জানা উচিত, সব সুবিধা সকলের জন্য নয়। কেন্দ্রীয় সরকার নানা প্রকল্প করেছে। রাজ্য সরকারও করেছে। তার একটা সীমা আছে। তার জন্য ক্রাইটেরিয়া ঠিক করা আছে। এর মধ্যে যাঁরা পড়বেন, তাঁরা পাবেন। দানধ্যান সবাইকে দেওয়া হবে, এই অভ্যাস খারাপ করে দিয়েছে তৃণমূল। এটা সবাইকে বুঝতে হবে। এটা চলতে পারে না।”
শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দপ্তরে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকেও একইভাবে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তাঁকে মাঝপথে বৈঠক বন্ধ রাখতে হয়। এই ঘটনার পিছনেও তৃণমূলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, “আমার মা-বোনেদের একটু ধৈর্য ধরতে হবে। যদি ধরি ২ কোটি মহিলার যদি আবেদন করেছেন, সেগুলি আপলোড করতে একটু সময় লাগবে। সেই সময়টা দিতে হবে।”
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অগ্নিমিত্রা পাল আরও বলেন, “বলতে খারাপ লাগছে, অনেক তৃণমূলের লোক ভিতরে বসে রয়েছে। অনেক গণ্ডগোল পাকাচ্ছে। আমি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকেও জানাচ্ছি।” একই সুর শোনা গিয়েছে বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির গলাতেও। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে যোগ্য উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেই তাঁরা আশাবাদী।

