বাংলার সিনেপাড়া থেকে বাংলা ছবির দর্শকের হৃদয়জুড়ে যেন এখন একটাই শব্দ ধ্বনিত হচ্ছে ‘দেশু’। মান-অভিমানের বরফ গলে দেব-শুভশ্রীর সম্পর্কের নয়া সমীকরণই এখন ‘টক অফ দ্য টাউন’। সিনেমা ঘোষণা থেকে শুটিংয়ের জায়গা রেইকি করা, শট দেওয়ার ছবি ফাঁস, দেবকে খোলা চিঠি শুভশ্রীর, ‘দেশু’র শেষদিনের সেলিব্রেশনের প্রতিটি মুহূর্ত এখন আলোচনার কেন্দ্রে। যা ‘দেশু’ ভক্তরা একেবারে চেটেপুটে উপভোগ করছে।
জার্নি শুরুর পরবর্তী ঘটনাবহুল মুহূর্তগুলো তো প্রকাশ্যে, কিন্তু কীভাবে শুরু হয়েছিল ‘দেশু ৭’-এর পথচলা? ফাঁস করলেন মেগাস্টার দেব। নতুন মোড়কে পুরনো রসায়নের স্বাদ পর্দায় উপভোগ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত ‘দেশু’ ভক্তরা। পঁচিশ সালে ‘ধূমকেতু’র ব্যাপক সাফল্যের পর জুটির সপ্তম ছবির ঘোষণা করেন দেব, শুভশ্রী। এরপরই এই ছবি ঘিরে ভক্তদের ‘অ্যাড্রিনাল রাশ’ একেবারে তুঙ্গে।
আরও পড়ুন:

একটা সময় দেব-শুভশ্রী জুটির অন স্ক্রিন রসায়ন ছিল সুপারহিট। পর্দায় জুটির উপস্থিতি মানেই ছবি হিট। কিন্তু, সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণেই পরবর্তীতে এই হিট জুটিকে আর কখনও পর্দায় দেখা যায়নি। তবে অতীত ভুলে বর্তমানে ‘দেশু ৭’এ মজে দুজনেই। লাদাখের রাস্তায় আইকনিক ‘মালা রে’র তালে উদ্দাম নাচ থেকে ব়্যাপ-আপ পার্টিতে পরস্পরকে কেক খাইয়ে দিয়েছেন ‘প্রাক্তন’ প্রেমিকযুগল।
সেখানেই দেব জানিয়েছেন ৩১ ডিসেম্বর রাত দুটোর সময় ‘দেশু ৭’র জার্নি শুরু হয়েছিল। আর এই বিশেষ জার্নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন অভিনেতার আপ্তসহায়ক। একগাল হেসে দেব বলেন, “৩১শে ডিসেম্বরের রাত ছিল। তখন আমার কাছে শুভশ্রীর নম্বরও ছিল না। অগত্যা সায়ন্তনের কাছে ওঁর নম্বর চাই। এত রাতে নম্বর চাইছি দেখে ও একটু ঘাবড়ে গিয়েছিল। বারবার জানতে চেয়েছিল আমি নম্বর নিয়ে কী করব। নম্বর পাঠানোর পর রাত দুটোর সময়ই শুভশ্রীকে ফোনটা করেছিলাম।”
এই কথাটা বলার পরই শুরু হয় দেবের শব্দের খেলা যা শুনে সেখানে উপস্থিত সকলেই একেবারে হেসে কুটোপুটি। বছরশেষের সেই ফোনের পর সব কিছুই ভালো হয়েছে। রসিকতা করে বলেন, “সব শুভ আর শুভ আর শুভই হয়েছে”। এরপরই একটু সাবধানী দেব। তাঁর কথায়, “আমি কিন্তু কাউকে ইনডিরেক্টলি কিছু বলতে চাইছি। আসলে দাদাগিরি করে বাংলাটা শুদ্ধ হয়ে গিয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
