Cooch Behar | কোচবিহারে কলেজের হস্টেলে ধুন্ধুমার! ছাত্র সংঘর্ষে কাঠগড়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা

Cooch Behar | কোচবিহারে কলেজের হস্টেলে ধুন্ধুমার! ছাত্র সংঘর্ষে কাঠগড়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


কোচবিহার: কোচবিহারের (Cooch Behar) এবিএন শীল কলেজের হস্টেলের ভিতরে ঢুকে ছাত্রদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল এবিভিপির বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় ক্রিকেট ব্যাট, উইকেট ও লাঠিসোটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ, কোতোয়ালি থানা ও পুলিশ লাইনের কাছেই এই তাণ্ডব (Hostel Conflict) চললেও প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ প্রায় ২৫ মিনিট নিষ্ক্রিয় ছিল। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। যদিও পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁরা ঘটনাস্থলেই রয়েছেন।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার বিকেলে। ছাত্র সংগঠন এবিভিপিতে যোগ দেওয়ার জন্য হোস্টেলের পড়ুয়াদের জোর করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিকেলে এবিভিপির কয়েকজন কর্মী হোস্টেলে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলতে যান। সেই সময়ই দুই পক্ষের মারপিট হয়। হোস্টেলের আবাসিক তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া জয়দীপ বর্মনের কথায়, ‘বিকেলের দিকে প্রায় ৫০ জন এবিভিপির বহিরাগতরা হোস্টেলে ঢুকে আমাদের মারধর করে। আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি।’

এবিভিপিতে যোগ না দেওয়ার জন্যই এদিনের হামলা বলে আক্রান্তরা অভিযোগ তুলেছেন। হোস্টেলের পড়ুয়ারা যখন এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন তখন এবিভিপির এক কর্মী ওই কলেজেরই দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া অঙ্গদ অধিকারীও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য হাজির হন। সেই সময় তাঁকে একা পেয়ে হোস্টেলের বেশকয়েকজন পড়ুয়া হাসপাতালের ভেতরেই তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হয়ে অঙ্গদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁকে দেখতে এদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে হাজির হন এবিভিপির কর্মকর্তা ও বিজেপির নেতৃত্বরা। অঙ্গদের কথায়, ‘আমরা পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার জন্য হোস্টেলে গিয়েছিলাম। সেই সময় পেছন থেকে সেখানকার কয়েকজন আমাদের উপর হামলা করে। তারা কেউ এসএফআই আবার কেউ সিজেপির সঙ্গে যুক্ত। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এলে আবারও আমাকে মারধর করা হয়েছে।’

হাসপাতালে অঙ্গদকে মারার পরই নাকি উত্তেজনা চরমে ওঠে। প্রায় এক-দেড়শো এবিভিপি কর্মী সুনীতি রোডের ধারে থাকা হোস্টেলে ঢোকে। অভিযোগ, আগে থেকেই সেই রাস্তায় পুলিশ (Police) থাকলেও তাঁদের নাকি এবিভিপি কর্মীদের বাধা দিতে দেখা যায়নি। এরপর হোস্টেলের ভিতরে দুই পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। আক্রান্তদের রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু এই সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে হোস্টেলের আক্রান্তরা সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেননি। এবিভিপির জেলা সংযোজক প্রীতম সূত্রধর বলেছেন, ‘আমরা কোনও হামলার ঘটনায় যুক্ত নই। আমরা কথা বলতে গিয়েছিলাম দাঁ, কুড়ুল, মোটরবাইকের সাইলেন্সার পাইপ নিয়ে ওরা আমাদের উপর চড়াও হয়। ওরা আমাদের উপর যে অভিযোগ তুলেছে তা ভিত্তিহীন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *