CM Suvendu Adhikari | প্রতীক ও নাম ফ্রিজ হতেই তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর, দল ভাঙার দায় সম্পূর্ণ মমতার ঘাড়ে!

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারি করে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ (TMC) নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটি আপাতত ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। যার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই তাদের প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু দলের আসল মালিকানা এবং প্রতীক সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়ায় এই দুই কেন্দ্রে তৃণমূলের কোন শিবির জোড়াফুল প্রতীকটি ব্যবহার করতে পারবে, তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচন কমিশন কালীঘাট এবং ঋতব্রত শিবিরকে শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটার মধ্যে তাদের বিকল্প নাম এবং প্রতীক বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, দলের আসল উত্তরসূরি এবং তহবিলের মালিকানা কে পাবে তা নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকটি আপাতত তাদের সিন্দুকেই সুরক্ষিত থাকবে।

এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে তৃণমূলের ভাঙন ও প্রতীক হারানোর ঘটনায় সরাসরি মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। দল ভেঙে যাওয়ার সমস্ত দায় সম্পূর্ণভাবে দলনেত্রী মমতার ওপরেই চাপিয়ে দিয়ে তিনি দাবি করেন যে, নিজের দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন তিনি, যার ফলে দলটি আজ তিন-চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং এতে বিজেপি (BJP)-র কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই। গণনার দিন হলদিয়ায় দেওয়া নিজের পূর্ববর্তী বক্তৃতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন যে নির্দিষ্ট কিছু শক্তি রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে চিরতরে মুছে যাবে। সংস্কৃত প্রবাদ উদ্ধৃত করে তিনি আরও মন্তব্য করেন যে অতিরিক্ত দম্ভ ও অহংকারের ফলেই এই পতন অনিবার্য ছিল এবং ভগবান সর্বশক্তিমান হিসেবে সঠিক বিচার করেছেন।

রামমন্দির সংক্রান্ত বিভিন্ন বিতর্কিত ইস্যু ও মন্তব্যকে সামনে এনেও মমতাকে তীব্র নিশানা করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। অযোধ্যা রামমন্দির উদ্বোধনের দিন বিরোধিতা করে মিছিল করা কিংবা মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলে আক্রমণ করার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর দাবি, ভগবান পুরুষোত্তম রামচন্দ্রর অভিশাপেই আজ সমস্ত কিছু ধ্বংসের মুখে পড়েছে। সব মিলিয়ে দুই শিবিরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং বিজেপির চড়া আক্রমণ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *