CJP talks demand impartial venue | আলোচনার টেবিলে বরফ গলাতে উদ্যোগ কেন্দ্রের, তবে নিরপেক্ষ জায়গার দাবিতে অনড় সিজেপি

CJP talks demand impartial venue | আলোচনার টেবিলে বরফ গলাতে উদ্যোগ কেন্দ্রের, তবে নিরপেক্ষ জায়গার দাবিতে অনড় সিজেপি

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ছাত্র আন্দোলনের জেরে উত্তাল জাতীয় রাজধানী। লাগাতার বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়ে অবশেষে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য বারবার আহ্বান জানাচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, গতকাল থেকে আন্দোলনকারীদের কাছে আলোচনার জন্য চারটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে সরকারের এই আহ্বান সরাসরি খারিজ করে দিয়ে যন্তরমন্তর অথবা নিরপেক্ষ কোনো স্থানে আলোচনার দাবিতে (CJP talks demand impartial venue) অনড় রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)।

এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, সরকার যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং তিনি নিজে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন এবং আলোচনা হতে পারে জে পি নাড্ডার বাসভবন কিংবা কার্যালয়ে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে এই আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) নিটকাণ্ডে (NEET Case) দ্রুত বিচার ও কড়া শাস্তির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের কথাও ঘোষণা করেছেন।

তবে কেন্দ্রের এই প্রস্তাব এক বাক্যে নাকচ করে দিয়েছে সিজেপি। যন্তরমন্তরে আন্দোলনস্থল থেকে সিজেপি-র মুখ্য মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা কোনো মন্ত্রীর বাড়ি বা দপ্তরে আলোচনায় যাবেন না। “জনগণের আদালত এই যন্তরমন্তর চত্বরেই বসেছে। মন্ত্রীদের মানুষের মধ্যে আসতে হবে। যদি আলোচনা করতে হয়, তবে তা যন্তরমন্তরেই হতে হবে।”

তবে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছেন না তাঁরা। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে যন্তরমন্তরের কাছাকাছি কোনো ‘নিরপেক্ষ স্থান’ বা নিউট্রাল ভেন্যুতে বসতে তাঁরা রাজি বলে জানিয়েছেন সৌরভ। একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো নতুন এফআইআর বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না করা হয়, তার গ্যারান্টিও দাবি করেছে সিজেপি।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দিল্লি ছাড়িয়ে বিহার, গোয়া, মুম্বই এবং রাজস্থানের মতো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার কড়াকড়ি দেখা গিয়েছে দিল্লিতে। মঙ্গলবার ১৭টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। পেপার লিককাণ্ডের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা এই ছাত্র আন্দোলনের জট কাটাতে শেষ পর্যন্ত সরকার ও আন্দোলনকারীরা কোন মধ্যপন্থা বেছে নেয়, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *