Chilapata | বিজেপি শাসনেও বদলায়নি ছবি, চিলাপাতার জঙ্গল কেটে চলছে মাটি পাচার

Chilapata | বিজেপি শাসনেও বদলায়নি ছবি, চিলাপাতার জঙ্গল কেটে চলছে মাটি পাচার

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


অভিজিৎ ঘোষ, সোনাপুর: রাজ্যে বদলেছে শাসকের গদি। তবে বদলায়নি পরিস্থিতি। বিধানসভা নির্বাচনে পটপরিবর্তনের দৃশ্যে বিজেপির রাজ থাকলেও দুর্নীতির চিরাচরিত ছবিতে লাগেনি পরিবর্তনের ছোঁয়া। পদ্ম সরকারের প্রায় দুই মাসের শাসনকালেই বিষয়টি নজরে আসায় স্থানীয় থেকে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোরু-মোষ হোক বা বালি-পাথর পাচার, সবই দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। ব্যতিক্রম নয় আলিপুরদুয়ার জেলাও। এই জেলাতেও বালি-পাথরের কারবার থেকে ‘ভাগ’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে পশ্চিম শিমলাবাড়িতে বন দপ্তরের জমি থেকে মাটি পাচারের যে পুরোনো অভিযোগ ছিল, তা একইভাবে বহাল রয়েছে বিজেপির আমলেও। এর মধ্যে আবার ওই এলাকায় বন দপ্তরের চিলাপাতা রেঞ্জের জমি থেকে মাটি পাচারের অভিযোগ উঠছে নতুন করে (Chilapata)।

শুক্রবার এই অভিযোগ গিয়েছে বন দপ্তরের কাছেও। এদিন বনকর্মীরা এলাকা পরিদর্শনও করেছেন। এ বিষয়ে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও পারভিন কাশোয়ান বলেন, ‘বন দপ্তর সতর্ক রয়েছে। কোনওরকম অবৈধ কাজ হবে না বন দপ্তরের জমিতে। ওই জায়গায় যেন কোনওভাবেই কোনও কারবার না চলে, সেজন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।’ আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পাতলাখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ওই পশ্চিম শিমলাবাড়ি গ্রামের পাশেই রয়েছে চিলাপাতা বনাঞ্চলের সীমানা। গ্রামের পাশেই আবার শিলতোর্ষা নদী। গ্রাম, নদী ও জঙ্গলের সীমানা খুবই কাছাকাছি। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট কোনও সীমানাও চিহ্নিত করা নেই। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বারবার সেখানে অবৈধ কাজের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় নদী থেকে বালি-পাথর তোলার অনুমতি থাকায় বন দপ্তরের সীমানায় গিয়ে বালি-পাথর তোলার কারবার চলত। এমনকি বিভিন্ন সময় মাটি কেটে পাচার চলত বলেও অভিযোগ। বর্তমানে সেখান থেকে মহাসড়কের কাজের জন্য মাটি আনার কাজও চলছে। নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে গিয়েও বন দপ্তরের জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠছে। একসময় তৃণমূল নেতাদের সেই কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এখন বিজেপির সমর্থকদের অনেকেই এই কাজে যুক্ত বলে অভিযোগ। নদীতে বাঁধ দিয়ে নদীর জলকে ঘুরপথে নিয়ে গিয়ে বন দপ্তরের জমির সীমানায় মাঝেমধ্যেই মাটি কাটা হচ্ছে বলে ক্ষোভ স্থানীয় মহলে।

রাজ্যের সরকার বদল হওয়ার পর থেকেই এই অবৈধ কারবারগুলি বন্ধ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছিল। তবে নতুন সরকার আসার দু’মাসের মধ্যেই পুরোনো কারবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে। অন্যদিকে বন দপ্তরের জমিও কতটা সুরক্ষিত থাকে, সেটাও প্রশ্ন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *