উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চার্লি কার্ককে (Charlie Kirk) বুধবার এক স্নাইপার হামলায় হত্যা করা হয়েছে। ৩১ বছর বয়সী এই নেতাকে একটি ছাদ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। গুলি চালানোর পর আততায়ী ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে এই হামলার পর বৃহস্পতিবার এফবিআই জানিয়েছে, আততায়ীর ব্যবহৃত “হাই-পাওয়ারড” স্নাইপার রাইফেলটি একটি বনভূমি এলাকায় খুঁজে পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই এলাকা দিয়েই পালিয়ে গিয়েছিল ওই আততায়ী।
এই বিষয়ে এফবিআইয়ের বিশেষ এজেন্ট রবার্ট বোহলস (Robert Bohls) জানান যে, অস্ত্রটি আরও বিশ্লেষণের জন্য এফবিআই ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে খুনির হাত এবং পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তকারীরা জনসাধারণকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি এফবিআই চার্লি কার্কের শুটিংয়ের সঙ্গে জড়িত একজন “সন্দেহভাজন ব্যক্তির” দুটি ছবি প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত ছবিতে ওই ব্যক্তিকে একটি টুপি, সানগ্লাস এবং কালো রঙের লম্বা হাতার শার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। উটাহ ডিপিএস কমিশনার বিউ মেসন জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন কলেজ পড়ুয়াদের সমবয়সী বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সেই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।”
মেসন আরও জানান, তিনি বুধবার রাতে কার্কের স্ত্রী এরিকার সঙ্গে কথা বলেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি কেবল কল্পনা করতে পারি তাঁরা কী পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।” উল্লেখ্য, এই ঘটনার পর দুজনকে আটক করা হলেও, তাঁদের এই ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগসূত্র না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
