CAA | নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা! ভারত সেবাশ্রমে হিন্দুত্বের লাইন

CAA | নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা! ভারত সেবাশ্রমে হিন্দুত্বের লাইন

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


রায়গঞ্জ: নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে না পারলে হোল্ডিং সেন্টারে যেতে হবে না তো- এই প্রশ্ন এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে প্রচুর মানুষকে। ফলে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে (সিএএ) আবেদনের (CAA) জন্য হিন্দু পরিচয়পত্র জোগাড়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রচুর মানুষ। মূলত যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁরা ভিড় জমাচ্ছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘে। দেরির জন্য তাঁরা দুষছেন তৃণমূল নেতাদের। আশ্রমের তরফেও বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র।

এখন ভিড় রায়গঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সংঘে। রবিবার এখানে ছিল সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সিএএ আবেদনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় সংক্রান্ত শংসাপত্র লাগবে, জানতে পেরেই তাঁরা এখানে এসেছেন। এদিন ভারত সেবাশ্রম সংঘে গিয়ে দেখা গেল প্রায় ৫০ জন শংসাপত্র নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে। এসআইআর-এর জন্য এবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে প্রত্যেকের। নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারলে কী হবে, তা ভেবেই আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের।

হিন্দু পরিচয়পত্র জোগাড়ে তিনি এখানে এসেছেন স্বীকার করে বাসনা মহন্ত বললেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের সিএএ আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড়ের চেষ্টা করছি। কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না- এতদিন তৃণমূল আশ্বস্ত করেছিল। কিন্তু ভোট দিতে পারলাম না।’ নিয়ম মেনে সিএএ-তে আবেদনের জন্য তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করছেন বলে জানান পলাশ বিশ্বাস।

আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ সিএএ-তে আবেদন করতে পারবেন। অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের উত্তরবঙ্গের আহ্বায়ক ডঃ বাবুলাল বালা বলেন, ‘সিএএ-তে আবেদনের জন্য ধর্ম, পূর্ব দেশের পরিচয়পত্রের প্রমাণ ও ২০১৪ সালের মধ্যে ভারতে আসার প্রমাণপত্র প্রয়োজন। যে কোনও স্থানীয় স্বীকৃত ধর্মীয় বা সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিন্দু সার্টিফিকেট দিতে পারে। এক্ষেত্রে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পাশাপাশি অন্য প্রতিষ্ঠানও হতে পারে।’ মতুয়া সংঘের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে প্রায় সাত হাজার হিন্দু সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ স্বামী নিরঞ্জনানন্দ মহারাজ বলেন, ‘আবেদনকারীদের আধার কার্ড, বিভিন্ন পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় পুরোনো নথি যাচাই করে সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। হেড অফিসের নির্দেশ মেনে সার্টিফিকেট ইস্যু করছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *