আলিপুরদুয়ার: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। বিহার থেকে আনা সেই বাঘিনী অবশেষে রবিবার বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে এনক্লোজারের গণ্ডি পেরিয়ে পা রাখল বক্সার (Buxa) মূল জঙ্গলে। এতদিন ‘বাল্মীকি বাঘিনী টি ১৩৮’ নামে পরিচিত থাকলেও, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নতুন পরিচয় হয়েছে ‘বিটিআর টিএফ-১’।
গত শুক্রবার বক্সার এনক্লোজারের দরজা খুলে দেওয়া হলেও, প্রথম দু’দিন অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত সেটিকে ছেড়ে বেরোতে দেখা যায়নি বাঘিনীটিকে। জঙ্গল ও পরিবেশ সম্পূর্ণ অপরিচিত হওয়ায় সে এনক্লোজারের ভেতরেই সময় কাটাচ্ছিল। কখনও কৃত্রিম জলাশয়ে জল খাওয়া বা শুয়ে থাকা, আবার কখনও ঘাসবাগানে বা জলকাদায় বিশ্রাম নেওয়ার মাঝেই কেটেছিল প্রথম কয়েকদিন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিহার থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত দীর্ঘ যাত্রাপথ এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দু’বার ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনের ধকলের কারণে বাঘিনীটির ওপর দিয়ে যথেষ্ট ধকল গিয়েছে। তাছাড়া নতুন জঙ্গলে নিজেদের গন্ধ ও মলমূত্রের মাধ্যমে এলাকা চিহ্নিত করা (মার্কিং), খাবার ও জলের সন্ধান করার বিষয়টিও বেশ সময়সাপেক্ষ। তবে সমস্ত ধকল কাটিয়ে অবশেষে রবিবার বিকেলে সে খোলা জঙ্গলের মুক্ত বাতাসে পা রাখায় খুশি বনকর্মী ও বন্যপ্রাণীপ্রেমীরা।
The submit Buxa | অবশেষে বক্সার মুক্ত প্রান্তরে রাজত্ব শুরু! এনক্লোজার ছেড়ে জাঁকিয়ে বসল বিহারের বাঘিনী appeared first on Uttarbanga Sambad.
