এক্স হ্যান্ডেল হোক বা টিভি শো, সময়ে-অসময়ে দলের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এবার বিজেপি ছেড়ে দিলেন দলের জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। দিনকয়েক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পদ্ম শিবির ছাড়ার। সোমবার সরকারিভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। তবে দল ছাড়ার আগে বিজেপি নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শেহজাদ। তাঁর কথায়, ‘অন্য কোনও দল বা দেশ তাঁর মতো পসমন্দা মুসলিম তরুণকে এমন পরিচিতি দিতে পারত না।’
জানা গিয়েছে, গতমাসেই ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন শেহজাদ। কিন্তু দল তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বলে। কিন্তু বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্তে অটল শেহজাদ। সোমবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি জানান, বিজেপির জাতীয় মুখপাত্রের পদ ছাড়ছেন। দলের প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দেবেন। বিদায়বেলায় শেহজাদের বার্তা, ‘আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সকলের প্রতি আমি খুবই কৃতজ্ঞ। অন্য কোনও দেশ বা অন্য কোনও রাজনৈতিক দল আমার মতো তরুণ পসমন্দা মুসলিমকে এমন সুযোগ দিতে পারত না।’
আরও পড়ুন:
Resignation Letter.
With utmost humility, sense of affection & gratitude i’ve as soon as once more submitted my resignation letter to @BJP4India & Hon’ble Shri @NitinNabin ji & have requested that the identical be accepted.
Eternally grateful for steerage, love, respect and platform that… pic.twitter.com/yUvyJiWNdX
— Shehzad Jai Hind (@Shehzad_Ind) August 17, 2026
প্রায় ১৮ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত শেহজাদ। হাতেখড়ি হয়েছিল কংগ্রেস থেকে। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। জাতীয় মুখপাত্র হিসাবে দীর্ঘদিন বিজেপিতে কাজ করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলের দলের অবস্থান স্পষ্ট করা, টিভি শো এবং সোশাল মিডিয়ায় বিরোধীদের প্রশ্নবাণ সামলানো-সমস্তটাই করতে দেখা গিয়েছে শেহজাদকে। ২০২১ সালে দিল্লি বিজেপির সোশাল মিডিয়া ইনচার্জ করা হয় তাঁকে। দিনপনেরো আগে আচমকাই এক্স হ্যান্ডেল থেকে ‘বিজেপি মুখপাত্র’ পরিচয় সরিয়ে দেন তিনি। তখন থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছিল, তাহলে কি রাজনীতি ছাড়লেন শেহজাদ? কেনই বা এমন সিদ্ধান্ত নিলেন?
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সভাপতি নির্বাচন ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন। তারপর একাধিক ইস্যুতে রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতাদের তোপ দেগেছেন। বিজেপি ছাড়ার কারণ হিসাবে শেহজাদ জানিয়েছেন, আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনেও সমস্যা রয়েছে। তাই ৩৮ বছর বয়সে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিলেন তিনি। সম্ভবত চাকরিক্ষেত্রে নতুন ইনিংস শুরু করবেন। তাঁর বার্তা, ভারতের শ্রেষ্ঠতম নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আরও এগিয়ে চলুক দেশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
