উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: প্রাতরাশ থেকে শুরু করে বিকালের স্ন্যাকস— খাদ্যতালিকায় পাকা কলা (Banana) রাখা অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই ফলে থাকা পটাশিয়াম ও ফাইবার হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তবে পুষ্টিগুণে ভরপুর কলা খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের জলখাবারে কলা রাখা দারুণ উপকারী, কারণ এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। তবে খালি পেটে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটস, দই, বাদাম বা ডিমের মতো প্রোটিন ও ফ্যাটযুক্ত খাবারের সঙ্গে কলা খাওয়া সবচেয়ে শ্রেয়।
এছাড়া শরীরচর্চার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে একটি কলা খেলে সহজে হজম হওয়া কার্বোহাইড্রেট তাৎক্ষণিক শক্তি দেয় এবং পটাশিয়াম পেশির টান প্রতিরোধ করে। আবার ব্যায়ামের পরে এটি পেশির ক্ষয় সারাতেও সাহায্য করে। কাজের ফাঁকে ক্লান্তি কাটাতে বা বিকালের ভাজাপোড়া স্ন্যাকসের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবেও কলা খাওয়া যেতে পারে।
রাতের বেলা কলায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন বি৬ স্নায়ু শান্ত করে এবং ঘুম আনতে সাহায্য করে। তবে যাদের অম্বল, সর্দি-কাশি বা হজমের গণ্ডগোল রয়েছে, তাদের রাতে কলা এড়িয়ে চলাই ভালো।
অন্যদিকে, কিছু স্বাস্থ্য সতর্কতার দিকেও নজর রাখা জরুরি। ডায়াবেটিস রোগীরা পরিমিত পরিমাণে কলা খেতে পারেন, তবে অতিরিক্ত পাকা কলার বদলে একটু শক্ত কলা খাওয়া নিরাপদ। পাশাপাশি, কিডনির গুরুতর সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম এড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা তৈরি করা উচিত।

