বালুরঘাট: চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসার পর পুলিশের নজর এড়িয়ে চম্পট দিল এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি (Prisoner escape)। শনিবার দুপুরে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে (Balurghat)। পলাতক বন্দির নাম লিটন সরকার (৩৮)। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানার উত্তর শরিফাবাদ এলাকায়। ২০১২ সালের একটি ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে সে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে সাজা খাটছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে লিটনকে চিকিৎসার জন্য সংশোধনাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেই সুযোগ বুঝে হাসপাতালের চত্বর থেকেই পুলিশকে ধোকা দিয়ে সে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই সংশোধনাগার ও পুলিশ প্রশাসনের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়।
খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাসপাতাল চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালানো হলেও শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত পলাতক বন্দির কোনও হদিশ মেলেনি। এই ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড়ো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঠিক কীভাবে পুলিশের নজর এড়িয়ে একজন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি পালিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Safety lapse)। পলাতককে ধরতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
