Balurghat | ট্র্যাক্টর দিয়ে প্রেমিকাকে খুন করে দেহাংশ জমিতে পুঁতে ছিল প্রেমিক, অবশেষে যাবজ্জীবন কারদন্ডের সাজা ঘোষণা গুণধরের

Balurghat | ট্র্যাক্টর দিয়ে প্রেমিকাকে খুন করে দেহাংশ জমিতে পুঁতে ছিল প্রেমিক, অবশেষে যাবজ্জীবন কারদন্ডের সাজা ঘোষণা গুণধরের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


বালুরঘাট: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অবনতিতে ট্র্যাক্টর দিয়ে প্রেমিকার দেহাংশ ছিন্নভিন্ন করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল প্রেমিক। পরে ওই দেহাংশের টুকরো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে খুনের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়। ২০২৪ সালের জুন মাসের ওই খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া সাদ্দাম হোসেন মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ  দিল বালুরঘাট আদালত। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ২০১ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরও দুইমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বালুরঘাট জেলা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (ফাস্ট কোর্ট) সন্তোষ কুমার পাঠক।

বালুরঘাট জেলা আদালতের (Balurghat Court docket) সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী বলেন, ২০২৪ সালে ১৮ই জুন থেকে নিখোঁজ ছিলেন তপনের পশ্চিম নিমপুর গ্রামের গৃহবধূ সুলেখা বিবি। ২১শে জুন তপন থানার কালিনগরে এক ব্যক্তির জমি থেকে কিছু হাড়গোড় উদ্ধার হয়। পরে জানা যায় ওই মৃতদেহ নিখোঁজ গৃহবধুর সুলেখা বিবিরই। এই ঘটনায় তারইট গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন মোল্লাকে (৩৪) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। সুলেখার সঙ্গে তার বিবাহ বহিভূত সম্পর্ক ছিল। ১৯ জুন জমিতে ট্র্যাক্টর দিয়ে হাল দেবার সময় সুলেখা এলে তাদের গোলমাল হয়। তখনি তাকে খুন করে দেহাংশ জমিতে ছড়িয়ে দিয়েছিল সাদ্দাম। এরপর ঘটনার তদন্ত শুরু হলে গ্রেপ্তার (Arrest) করা হয় সাদ্দামকে।

এদিন সাজা ঘোষণা হতেই মৃতার ভাই মমিনুর মোল্লা বলেন, ‘আমরা এই রায়ে খুবই খুশি। যেভাবে এই খুনের পর পুলিশ প্রশাসন (Police), আইনজীবীরা, আদালত সকলে মিলে এই দ্রুত সাজা ঘোষণা করে আমার দিদির মৃত্যুর বিচার পাইয়ে দিয়েছে, তাতে আমরা কৃতজ্ঞ।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *