Al Falah College | মেডিকেল কলেজের আড়ালে ‘টেরর কানেকশন’? আল ফালাহ-র ১৪০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

Al Falah College | মেডিকেল কলেজের আড়ালে ‘টেরর কানেকশন’? আল ফালাহ-র ১৪০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৫-এর সেই অভিশপ্ত ১০ নভেম্বর। দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সামনে ভয়াবহ গাড়িবোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। প্রাণ হারিয়েছিলেন মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর-উন নবি-সহ ১৫ জন। সেই বিস্ফোরণের তদন্তের সুতো ধরেই এবার হরিয়ানার ‘আল ফালাহ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বেরিয়ে এল হাড়হিম করা সব তথ্য।

শুক্রবারই ইডি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ একর জমি এবং ফরিদাবাদের মেডিকেল কলেজ ভবনটি বাজেয়াপ্ত করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দাখিল করা হয়েছে চার্জশিট।

ভাড়াটে রোগী ও ঘোস্টডাক্তার: দুর্নীতির অভিনব মকড্রিল

ইডির চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, আল ফালাহ মেডিকেল কলেজে বছরের পর বছর ধরে এক পরিকল্পিত জালিয়াতি চলেছে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের (NMC) নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এক ‘ভুয়ো সাম্রাজ্য’।

  • আশাকর্মীদের মাধ্যমে রোগী ভাড়া: বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি প্রধান ফরদিন বেগের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বেড ভরিয়ে রাখতে আশাকর্মীদের মাধ্যমে বাইরে থেকে টাকার বিনিময়ে ‘ভুয়ো রোগী’ নিয়ে আসা হত।
  • বাড়িতে বসেই ডিউটি’: প্রায় ৭০ জন চিকিৎসককে নিয়মবিরুদ্ধভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। যাঁদের অনেকেরই দাবি, তাঁরা কোনওদিন ক্যাম্পাসে পা রাখেননি, বাড়ি থেকেই কাজ করতেন। শিক্ষকতা বা চিকিৎসা— কোনওটাই তাঁরা করতেন না।
  • বিদেশি মুদ্রার হাতবদল: শুধু দেশি নয়, ১৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক বিদেশি লেনদেনের হদিস পেয়েছে ইডি। অভিযোগ, জওয়াদ সিদ্দিকী অত্যন্ত সুকৌশলে এই অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন।

লালকেল্লা বিস্ফোরণ ও উমর-উন নবি যোগ

তদন্তকারী সংস্থাগুলির সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হল লালকেল্লা বিস্ফোরণের মূল পাণ্ডা উমর-উন নবির সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ। ইডি-র দাবি, “চেয়ারম্যান জওয়াদ সিদ্দিকী নিজে উমরকে নিয়োগের অনুমতি দিয়েছিলেন। নিয়োগের সময় উমরের পারিবারিক ইতিহাস বা ঠিকানার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পুলিশ দিয়ে যাচাই (Police Verification) করার নূন্যতম প্রয়োজন বোধ করেনি কর্তৃপক্ষ।” উমরের মতো আরও অনেককেই এইভাবে তথ্য যাচাই ছাড়াই নিয়োগ করা হয়েছিল, যা দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *