বালুরঘাট: ভরদুপুরে জনবহুল হাসপাতাল চত্বর থেকে হাড়হিম করা অপহরণ! বালুরঘাট জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে চায়ের দোকান থেকে তুলে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। তবে পুলিশের তৎপরতায় খুব বেশি সময় টেকেনি সেই ছক। দুই ঘণ্টার মধ্যে অপহরণের জট খুলে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হল অপহৃত ম্যানেজারকে।
চায়ের দোকানে ধস্তাধস্তি ও অপহরণ
বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের গেটের বাইরে একটি চায়ের দোকানে এসেছিলেন বালুরঘাট জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ধ্রুবরঞ্জন চৌধুরী। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি সাদা রঙের চারচাকা গাড়ি করে চারজন যুবক সেখানে এসে হাজির হয়। ধ্রুবরঞ্জনবাবুকে গাড়ি তোলার চেষ্টা করলে শুরু হয় প্রবল ধস্তাধস্তি। কিন্তু জনসমক্ষেই তাঁকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
উদ্ধার ও গ্রেপ্তার
ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই নড়েচড়ে বসে জেলা পুলিশ প্রশাসন। বালুরঘাট থানার পক্ষ থেকে গোটা এলাকায় ‘নাকা চেকিং’ শুরু করা হয়। অবশেষে প্রায় দুই ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস তল্লাশির পর তপন এলাকার দাঁড়ালহাট গ্রামের পাশের একটি জঙ্গল থেকে ধ্রুবরঞ্জন চৌধুরীকে উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় মূল পাণ্ডা মকলেশ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি অপহরণে ব্যবহৃত সাদা গাড়িটি আটক করা হয়েছে। আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।
কেন এই অপহরণ?
হাসপাতাল চত্বরে এমন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যে। ধ্রুবরঞ্জন চৌধুরীকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়েছে। অপহরণের নেপথ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা না কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখছে বালুরঘাট থানার পুলিশ।
