Awas Cutmoney | আবাস যোজনার জন্য কাটমানি! ‘দিদিকে বলো’-তে অভিযোগ বিশেষভাবে সক্ষম টোটোচালকের

Awas Cutmoney | আবাস যোজনার জন্য কাটমানি! ‘দিদিকে বলো’-তে অভিযোগ বিশেষভাবে সক্ষম টোটোচালকের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


সৌরভকুমার মিশ্র, হরিশ্চন্দ্রপুর : বিশেষভাবে সক্ষম টোটোচালকের কাছ থেকে আবাস যোজনার ঘরের জন্য কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও কোনও কাজ না হওয়ায় শেষপর্যন্ত ‘দিদিকে বলো’-তে অভিযোগ করলেন ওই টোটোচালক। হরিশ্চন্দ্রপুর দুই নম্বর ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তাবারক হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘দল এই ধরনের কাজকে প্রশ্রয় দেয় না। আইন আইনের পথেই চলবে।’ এই প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের বিডিও তাপস পাল বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। তদন্ত করে দেখব।’

কোনওরকমে এক হাত এক পা দিয়ে টোটো চালিয়ে কষ্টের মধ্যেই স্ত্রীকে নিয়ে দিন গুজরান করেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার দৌলতনগর গ্রামের বাসিন্দা অশোককুমার সরকার। গত বছর বাংলা আবাস যোজনার তালিকায় নাম এসেছিল টোটোচালকের। অশোকের অভিযোগ, দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য মৌসুমি মহলদার ও তাঁর স্বামী শরৎচন্দ্র সরকার আবাস যোজনার টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নিয়েছিলেন। ১৫ হাজার টাকা কাটমানি দেওয়ার বিনিময়ে দুই কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা করে মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা টোটোচালক বাড়ি করার জন্য পান। প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকার পরে পাঁচ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢোকার পর আট হাজার টাকা অশোক সরকার মৌসুমি মহলদার এবং তাঁর স্বামীকে দেন। কিন্তু বাকি দুই হাজার টাকা দিতে না পারায় মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি আরও অভিযোগ, টাকা দিতে না পারায় অশোক সরকারের নামে মিথ্যে মামলা থানায় করে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটির কথা জানিয়ে ব্লক প্রশাসন সহ মহকুমা এবং জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন টোটোচালক। ইতিমধ্যে টাকা চাওয়া নিয়ে অশোক সরকার ও শরৎচন্দ্র সরকারের মধ্যে একটি ফোন কলের রেকর্ডিং সামনে এসেছে। সেখানে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে অশোকের কাছ থেকে ঘরের বিনিময়ে টাকা চাওয়া হচ্ছে। যদিও ওই রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ।

প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পরও কোনও সদর্থক ফল না হওয়ায় এবারে ‘দিদিকে বলো’-তে অভিযোগ করলেন টোটোচালক। তিনি বলেন, ‘আমি ১৫ হাজারের বদলে দু’বারে ১৩ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। তাতেও ওদের মন ভরেনি। ওই সামান্য টাকায় বাড়ি করতে গিয়ে বাড়ি তো সম্পূর্ণ হয়নি। উলটে ধারদেনা হয়ে গিয়েছে। এখন আরও ২ হাজার টাকা আমার কাছে দাবি করছে। আমাকে ও আমার পরিবারকে মানসিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে।’ যদিও অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য মৌসুমি মহলদার বলেন, ‘ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করছেন। ঘর দেওয়ার বিনিময়ে আমি কোনও টাকাপয়সা নিইনি। আমাকে ও আমার স্বামীর বদনাম করার জন্যই এইসব করা হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *