Arrested Afghan Citizen | পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যোগ! পানিট্যাঙ্কিতে ভারত-নেপাল সীমান্তে জাল নথি সহ ধৃত সন্দেহভাজন আফগান নাগরিক

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


খড়িবাড়ি: ভারত-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি অভিবাসন দপ্তর থেকে এক সন্দেহভাজন আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ (Arrested Afghan Citizen)। ধৃত আফগানিস্তানী তরুণের সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের যোগসূত্র মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, ওই আফগান তরুণের এক ভারতীয় সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ধৃতদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ২৬ বছরের ওই আফগান যুবকের নাম আব্দুল্লা খান। সে দীর্ঘদিন ধরে হাওড়ার শিবপুরে ঘাঁটি গেড়েছিল। অন্যদিকে, তার ভারতীয় সহযোগী ও বন্ধুর নাম শঙ্কর বণিক, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে।

অভিযুক্ত আব্দুল্লার হেফাজত থেকে একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং ভারতীয় পাসপোর্ট। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ভারতে থাকার সুবাদে সে টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে এই সমস্ত জাল ভারতীয় নথিপত্র তৈরি করেছিল।

তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, অভিযুক্ত আফগান তরুণ ও তার বন্ধু শঙ্কর বণিক নেপাল হয়ে থাইল্যান্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সেই উদ্দেশ্যে গত রবিবার দুপুরে তারা পানিট্যাঙ্কি স্থলবন্দরের অভিবাসন দপ্তরে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য যায়। সেখানে কর্মরত আধিকারিকরা ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (FRRO) সাইটে চেক করার সময় দেখতে পান যে, আব্দুল্লা খানের বিরুদ্ধে একটি লুক আউট সার্কুলার (Look Out Round) নোটিশ রয়েছে।

সঙ্গে সঙ্গে পানিট্যাঙ্কি অভিবাসন দপ্তর থেকে তাদের আটক করে খড়িবাড়ি থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর জেলা পুলিশ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা যৌথভাবে সারারাত ধরে তাদের ম্যারাথন জেরা করেন।

জেরার পর ধৃতদের বিরুদ্ধে জাল নথিপত্র তৈরি, প্রতারণা, ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্ট এবং আধার আইনের বিভিন্ন ধারায় নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়। সোমবার তাদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। মামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং বৃহত্তর কোনো যোগসূত্র বা চক্রের খোঁজ পেতে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ।

দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার ওয়াই.এস. জগন্নাথ রাও জানিয়েছেন, সীমান্তে অত্যন্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপে সন্দেহভাজন ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। FRRO-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী লুক আউট সার্কুলার থাকায় এবং নথিপত্র সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *