Adivasi Protest | জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চাষের জমি কেটে নেওয়ার অভিযোগ! আন্দোলনে নামলেন আদিবাসীরা

Adivasi Protest | জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চাষের জমি কেটে নেওয়ার অভিযোগ! আন্দোলনে নামলেন আদিবাসীরা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


ফালাকাটা: দিনের পর দিন আদিবাসীদের চাষের জমি আর্থমুভার দিয়ে কেটে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চরম ক্ষোভ উগরে দিয়ে রবিবার সরাসরি আন্দোলনে নামলেন স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায় (Adivasi Protest)। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ১ নম্বর ব্লকের পূর্ব কাঁঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের গারারজোত গ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গারারজোত গ্রামের পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে শিলতোর্ষা নদী। সেই নদীর চর এলাকার প্রায় ৯০০ বিঘা জমি নিজেদের বলে দাবি আদিবাসীদের। অভিযোগ, ওই জমি থেকেই জাতীয় সড়কের কাজের জন্য বেআইনিভাবে মাটি (Soil) কেটে নিয়ে যাচ্ছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।

রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ গারারজোতের আদিবাসীরা একজোট হয়ে নদীচর এলাকায় পৌঁছান। সেখানে পৌঁছেই তারা সরাসরি মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেন এবং বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে একাধিক আর্থমুভার ও ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

বিক্ষোভকারীদের দাবি:

  • ৯০০ বিঘা জমির মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ বিঘা জমির মাটি কেটে নিয়েছে সড়ক কর্তৃপক্ষ।
  • অনবরত মাটি কাটার ফলে জমিতে বড় বড় বিপজ্জনক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
  • এলাকাটিতে নদীর কোনো নির্দিষ্ট বাঁধ নেই। ফলে বর্ষায় ভারী বৃষ্টি হলে বা বন্যা দেখা দিলে সরাসরি আদিবাসী পাড়ায় জল ঢুকে পড়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নিজেদের জমি ও ভিটেমাটি বাঁচাতে আদিবাসীরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত দাবিপত্রও জমা দিয়েছেন।

কাজের দরুন উত্তেজনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি এলাকায় পৌঁছান জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা। সেখানে আদিবাসীদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘক্ষণ বাকবিতণ্ডা চলে। সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা দাবি করেন, জেলা প্রশাসনের ভূমি রাজস্ব দপ্তর থেকেই তাদের এখান থেকে মাটি কাটার আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যের পর সাময়িকভাবে আদিবাসীরা সেখান থেকে সরে গেলেও তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— নিজেদের অস্তিত্ব ও জমি বাঁচাতে আগামী দিনে তারা আরও বড়সড় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *