নেপালের ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসে ১৪৫৫ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি নিখোঁজ এখনও ৫২৮৫ জন। এর মধ্যে ভারতীয়ের সংখ্যা ১৮৯। ভয়াল বিপর্যয়ের ৪০ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল সরকার। বলেন্দ্র প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ত্রাণ ও অনুসন্ধানের পরিবর্তে বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের দিকেই এখন মনোযোগ দেবে সরকার।
সম্প্রতি রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহর নেতৃত্বে এক বৈঠক সম্পন্ন হয়। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি (এনডিআরআরএমএ) বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনকারী দলগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, নতুন করে ওই অঞ্চল থেকে কারও খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। ফলে এখন উদ্ধারের চেয়ে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছে তাঁরা।
আরও পড়ুন:
তুন করে ওই অঞ্চল থেকে কারও খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। ফলে এখন উদ্ধারের চেয়ে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছে তাঁরা।
উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট ব্যাপক হড়পা বানে একেবারে তছনছ হয়ে যায় মধ্য নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ। ত্রিশূলী ও ভোটকোসি নদীর ধ্বংসযজ্ঞে প্রাণ হারান বহু মানুষ। ভয়ংকর দুর্যোগে কত বাড়ি, অফিস, সেতু, দোকান-বাজার ভেঙেছে, তার স্পষ্ট হিসাব এখনও প্রশাসনের কাছে নেই। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৪৫৫। ৫,২৮৫ জন মানুষ এখনও নিখোঁজ। পাশাপাশি তিব্বত অঞ্চলে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। নেপালে এখনও নিখোঁজ ভারতীয়ের সংখ্যা ১৮৯। এছাড়া ৩৬টি দেশের ৬০৬ জন বিদেশি পর্যটকের কোনও খোঁজ নেই। এই অবস্থায় উদ্ধারকাজ অনুস্থানিকভাবে বন্ধ করল নেপাল সরকার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
