৫ বছর ধরে বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে বিধবা ভাতা! তদন্তে প্রশাসন

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বৃদ্ধের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকছে বিধবা ভাতার টাকা! অভিযোগ, এক-দু’মাস নয়, ২০২১ সাল থেকে সেই টাকা অ্যাকাউন্টে আসছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের দাসপুর থানার গোছাতি এলাকায় এমনই অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে ভাতা বন্ধের আবেদন নিয়ে ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে পরিবার। ঘটনাকে সামনে রেখে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও তৃণমূলের দাবি, ডেটা এন্ট্রির সময় ভুল হয়ে থাকতে পারে।

অভিযোগের কেন্দ্রে গোছাতি গ্রামের ষাটোর্ধ্ব কেশব ঘোড়ই। স্থানীয় সূত্রে খবর, ভাতা পাওয়ার জন্য তিনি স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে বিধবা ভাতার টাকা জমা হতে থাকে বলে পরিবারের দাবি। দীর্ঘদিন পর ব্যাঙ্কের লেনদেন খতিয়ে দেখতে গিয়ে বিষয়টি নজরে আসে। কেশববাবুর ছেলে দীপঙ্কর ঘোড়ইয়ের বক্তব্য, তাঁর বাবা লেখাপড়া জানতেন না, শুধু সই করতে পারতেন। ভাতার আবেদনপত্র কে বা কীভাবে পূরণ করেছিলেন, তা পরিবারের জানা
নেই। তবে ব্যাঙ্কের নথিতে বিধবা ভাতার টাকা ঢোকার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরই তাঁরা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জানান।

আরও পড়ুন:

পরিবারের দাবি, এতদিন ধরে একজন পুরুষের অ্যাকাউন্টে বিধবা ভাতার টাকা জমা পড়লেও তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে এল না কীভাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। ঘটনার তদন্ত এবং প্রকৃত ভুল কোথায় হয়েছে, তা চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার। এবিষয়ে অবশ্য বিজেপি নেতা প্রশান্ত বেরা বলেন, “তৃণমূল সরকারের আমলের শিবির থেকে কীভাবে একজন পুরুষের নামে বিধবা ভাতার অনুমোদন হল? বছরের পর বছর ধরে সেই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকল কীভাবে? এর তদন্ত হওয়া দরকার।” অন্যদিকে, এলাকার তৃণমূল নেতা সৌমিত্র সিংহ রায় বলেন, “ডেটা এন্ট্রির সময় কোনও সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই ঘটনাকে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।” ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি জেলাস্তরে জানানো হয়েছে। প্রশাসনিকভাবে নথি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *