একদিকে দেশত্যাগের দু’বছর পূর্তির দিনে শেখ হাসিনা মুখো খোলায় গোঁসা হয়েছে বাংলাদেশের। অন্যদিকে সেই তারেক রহমান সরকার পাইপলাইনে আরও বেশি জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানাল দিল্লিকে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় সচিবালয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ওই বৈঠক শেষে বাংলাদেশি মন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে ডিজেল আসে। জ্বালানির চাহিদা বিবেচনায় সরবরাহ আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে দিল্লির কাছে।
বৃহস্পতিবারের বৈঠক সম্পর্কে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে দুই দেশের বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, গ্যাসের অভাবে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় ওই কেন্দ্রগুলো আবার চালু হবে। পদ্মাপাড়ে বিদ্যুতের বিল নিয়েও অভিযোগ করছে আমজনতা। যদিও মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ এলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাচাইয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের চিত্রই মিলেছে। এইসঙ্গে তিনি জানান, জুন মাস থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি ভারত থেকে আমদানি করা ১১ হাজার টন চালের মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টন চাল খালাস করা হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। বাকি ‘চালের মান ভালো নয় এবং মানুষের খাওয়ার উপযোগী নয়’ বলে অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই চাল ভারতে ফেরত পাঠানোরও তোরজোর শুরু হয়েছে। সেই বাংলাদেশই এবার পাইপলাইনে অতিরিক্তি জ্বালানি সরবরাহের জন্য তদ্বির করছে দিল্লির কাছে। একই সময়ে হাসিনা কাঁটায় বিদ্ধ ঢাকা। বাংলাদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মুখ খোলায় ঢাকার বিবৃতি, “হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে পাত্তা দিচ্ছে না ভারত।” উভয় দেশের টকঝাল সম্পর্কে জল কোনদিকে গড়ায় সেটাই এখন দেখার।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
