‘হাজারবার চেয়েছি পুরুষদের ঋতুস্রাব হোক’, কেন একথা বললেন শ্রুতি?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


মেয়েরা একাই একশো। আমাদের চারপাশে প্রত্যেক নারীর মধ্যেই দশভূজারূপ বিদ্যমান। তারা রাঁধে আবার চুলও বাঁধে! রাজনীতির ময়দান থেকে মহাকাশযান, প্রত্যেকটি পেশাতেই পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেছেন নারীরা। কিন্তু তবুও ২০২৬ সালে দোকানে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে গিয়ে ‘লুকোচুরি’ খেলতে হয়। যেখানে বাইরের কিছু দেশে ঋতুস্রাব চলাকালীন অফিস-কাছারিতে মেয়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে আমাদের দেশে আজও অনেকে মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন নিয়েই সচেতনই নন, কিংবা নিদেনপক্ষে ন্যাপকিনের ব্যবহারও জানেন না। বলা ভালো, কালের নিয়মে আধুনিকতার পালে হাওয়া লাগলেও সমাজে ঋতুস্রাব নিয়ে ছুঁতমার্গ এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছে। এবার সেপ্রসঙ্গেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে একহাত নিলেন শ্রুতি হাসান।

“পুরুষরাও তখন হয়তো কে, কতটা রক্তপাতের মুখোমুখি হচ্ছেন বা কার ট্যাম্পনের আকার কত বড়? সেসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতেন।”

আরও পড়ুন:

যে কোনও বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশে কখনওই পিছপা হন না শ্রুতি হাসান। এবার সোহা আলি খানের পডকাস্টে ঋতুকালীন তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। তাঁর দাবি, ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য ছুটি বরাদ্দ হোক। শ্রুতির মন্তব্য, “আসলে এর একটাই সমাধান রয়েছে। আমি হাজারবার প্রার্থনা করেছি যেন পুরুষদেরও পিরিয়ডস হয়। তাহলেই হয়তো আমাদের কর্মক্ষেত্রের চুক্তিপত্রে ‘পিরিয়ড লিভে’র বিষয়টি উল্লেখ থাকত।” শ্রুতির কথায় সহমত পোষণ করে সোহা মজাচ্ছলে বলেন, “পুরুষরাও তখন হয়তো কে, কতটা রক্তপাতের মুখোমুখি হচ্ছেন বা কার ট্যাম্পনের আকার কত বড়? সেসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতেন।”

Shruti Hassan x handle hacked
শ্রুতির দাবি, ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য ছুটি বরাদ্দ হোক।

শ্রুতি আরও জানান, পিসওএস বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম-এর কারণে ঋতুস্রাবের সময়ে তাঁকে অত্যন্ত যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কর্মজীবনের শুরুর দিকে অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করতেন তিনি। তাঁর মনে হতো, কেউই হয়তো ঋতুস্রাব নিয়ে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ্য নন। শ্রুতির দাবি, “একবার খেয়াল করলাম, আমার এক সহ-অভিনেতা নিজের হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কথা জানিয়ে শুটিং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করার কথা বললেন। আমিও তখন নিজের পিরিয়ডসের কথা জানাই পরিচালককে। ওই প্রথমবার আমি কোনও পরিচালককে একথা বললাম। ওঁর নিজেরও মেয়ে আছে। তিনি তখন জানালেন যে তাঁর মেয়েরও পিরিয়ডের সময় খুব ব্যথা হয়। তারপর থেকেই আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *