‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন মেনে ঋতব্রত-সহ ১০ ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের ভবিষ্যৎ কী? মুখ খুললেন স্পিকার

রাজ্য/STATE
Spread the love


হাতে সময় মাত্র একসপ্তাহ। তারপরই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে স্পিকারকে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সময়ের মধ্যেই তা জানানো হবে। শুক্রবার এ বিষয়ে অবশেষে মুখ খুলে জানালেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ঋতব্রতপন্থী অর্থাৎ বর্তমানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ বিধায়ককে নিয়ে সময়মতো সুপ্রিম কোর্টে জবাব দেওয়া হবে বলে জানান অধ্যক্ষ।

শীর্ষ আদালতের এই রায়ের সময় বিদেশ সফরে ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলির স্পিকারদের সম্মেলনে যোগ দিতে কেপটাউনে গিয়েছিলেন তিনি। পরে আটলান্টা ও লন্ডন সফর সেরে কলকাতায় ফেরেন। তাঁকে ঋতব্রতদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করলে জানান, ‘‘হাতে যথেষ্ট সময় রয়েছে। যথা সময়ে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দেব।’’

আরও পড়ুন:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায় ও সন্দীপন সাহা-সহ ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের পদ খারিজের আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলা নিষ্পত্তি করে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বিধায়ক পদের ভাগ্য নির্ধারণের মূল এক্তিয়ার বিধানসভার স্পিকারেরই। ৮ অক্টোবরের মধ্যে স্পিকারকে এই আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

বিধানসভা নির্বাচন মিটে যাওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একঝাঁক বিধায়ক দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা সঙ্গে নিয়ে তাঁরা মূল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক ও তহবিল নিজেদের হাতে নেওয়ার দাবি জানান। এই দল-ভাঙার নিষ্পত্তি করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আপাতত তৃণমূল কংগ্রেস ও ঘাসফুল প্রতীক রদ করে দুই শিবিরকে দুই আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টও সাফ জানিয়েছে, বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন একমাত্র স্পিকার। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের সময় বিদেশ সফরে ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলির স্পিকারদের সম্মেলনে যোগ দিতে কেপটাউনে গিয়েছিলেন তিনি। পরে আটলান্টা ও লন্ডন সফর সেরে কলকাতায় ফেরেন। তাঁকে ঋতব্রতদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করলে জানান, ‘‘হাতে যথেষ্ট সময় রয়েছে। যথা সময়ে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দেব।’’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *