সাপ ধরেই চ্যাংদোলা করে ঘোরাচ্ছেন! ‘নির্যাতনের’ ভিডিও ঘিরে বিতর্কে বিট অফিসার

রাজ্য/STATE
Spread the love


মাটিতে সাপ। তাকে ধরতে গিয়ে রীতিমতো ধস্তাধস্তি। কখনও সাপের পালটা নড়াচড়া, কখনও তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার মরিয়া চেষ্টা। শেষ পর্যন্ত সাপটিকে পাকড়াও করলেন বনকর্মী। কিন্তু তারপরের দৃশ্যই নজর কেড়েছে। সাপটির লেজের দিকটা হাতের মুঠোয় ধরে চ্যাংদোলা করে ঘোরাচ্ছেন বনকর্মী। সেই ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল) ছড়িয়ে পড়তেই বিষ্ণুপুরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাপটিকে ধরার পর বনকর্মী সেটিকে মাটি থেকে তুলে ধরে এদিক-ওদিক ঘোরাচ্ছেন। এর আগের দৃশ্যে সাপটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে তাঁকে যথেষ্ট বেগ পেতেও দেখা যায়। সাপটি বার বার শরীর ছুড়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত সেটিকে কব্জায় আনার পরই বদলে যায় দৃশ্যপট। লেজের কাছে ধরে ঘোরাতে থাকেন তিনি। একাধিকবার সাপের শরীর জুতো দিয়ে মাড়িয়ে দিতেও দেখা যায় তাঁকে। এই ভিডিও ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। 

আরও পড়ুন:

ওই বনাধিকারিক হলেন বিষ্ণুপুর ফরেস্ট ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের বিট অফিসার রাজীব মণ্ডল। তিনি অবশ্য বলেন, “সাপটি তখন আগ্রাসী মুডে ছিল। প্রথমে সাপটিকে চিহ্নিত করা যায়নি। ফলে সেটি বিষধর কি না, তা-ও বোঝা যাচ্ছিল না। ধরতে গিয়ে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল। পরে স্থানীয় ভাবে জানা যায়, সেটি দাঁড়াশ সাপ।” রাজীবের দাবি, সাপটিকে ধরার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনাই মূল বিষয় ছিল। সাপটির আচরণ দেখে প্রথমে তার প্রজাতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরে সেটি দাঁড়াশ বলে জানা যায়। বিষ্ণুপুরের ডিএফও অভিজিৎ কর বলেন, “ভিডিয়োটি এবং ঘটনার সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাপটি কী অবস্থায় ছিল, কীভাবে তাকে উদ্ধার করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে কী করা হয়েছিল, সবটাই যাচাই করে দেখা হবে।”

দাঁড়াশ বিষহীন সাপ। ইঁদুর-সহ ছোট প্রাণী খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সাপের ভূমিকা রয়েছে। ফলে সাপটি উদ্ধারের পর সেটিকে কীভাবে সামলানো হয়েছিল, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বন দপ্তরের অন্দরেও।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *