সাধারণতন্ত্র দিবসে আমিষ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা কোরাপুটে! ‘ধর্মীয় অনুষ্ঠান নাকি?’, খোঁচা তৃণমূলের

সাধারণতন্ত্র দিবসে আমিষ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা কোরাপুটে! ‘ধর্মীয় অনুষ্ঠান নাকি?’, খোঁচা তৃণমূলের

রাজ্য/STATE
Spread the love


এবার সাধারণতন্ত্র দিবসেও খাবারে কোপ! ২৬ জানুয়ারি আমিষ খাবার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওড়িশার কোরাপুটের স্থানীয় প্রশাসন। ওইদিন মাছ, মাংস, ডিমের মতো আমিষ সামগ্রী কোথাও বিক্রি করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন খোদ জেলাশাসক। আর তাতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুন:

বিজেপিশাসিত প্রতিবেশী রাজ্যের এহেন ‘ফতোয়া’য় ফুঁসে উঠেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সোশাল মিডিয়ায় এনিয়ে পোস্ট করে তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, ২৬ জানুয়ারি কি ধর্মীয় অনুষ্ঠান যে তাতে আমিষ খাবার খাওয়া যাবে না? আরও প্রশ্ন, বিজেপি কি এই পরিবর্তন বাংলার উপরও চাপাতে চাইছে? এর আগে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে একাধিক পার্বণে এভাবে আমিষ খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। তাও বিতর্কের মুখে পড়ে। এবার ওড়িশার কোরাপুটে একই ঘটনা। কিন্তু প্রশ্ন হল, দেশের সাধারণতন্ত্র দিবসে কেন খাবারে এমন কোপ?

শুক্রবার কোরাপুট জেলাশাসকের বিজ্ঞপ্তি নজরে আসে। তাতে লেখা, ২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসে গোটা জেলায় মাছ, মাংস, ডিম-সহ সমস্ত আমিষ খাবার বিক্রি বন্ধ। এই মর্মে স্থানীয় দোকানগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকের ওই চিঠি প্রত্যেক স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিককে জানানো হয়েছে, এলাকার প্রতি দোকানে ওই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছে সমালোচনা। কী কারণে হঠাৎ সাধারণতন্ত্র দিবসে খাবার নিয়ে এই ফতোয়া, সেই প্রশ্ন ওঠে। যদিও প্রশাসন নিরুত্তর। প্রতিবেশী বিজেপিশাসিত রাজ্যের এই ‘অদ্ভুত’ নির্দেশিকা নিয়ে শনিবার সরব হয়েছে রাজ্যের শাসকদল।

শুক্রবার কোরাপুট জেলাশাসকের বিজ্ঞপ্তি নজরে আসে। তাতে লেখা, ২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসে গোটা জেলায় মাছ, মাংস, ডিম-সহ সমস্ত আমিষ খাবার বিক্রি বন্ধ। এই মর্মে স্থানীয় দোকানগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকের ওই চিঠি প্রত্যেক স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিককে জানানো হয়েছে, এলাকার প্রতি দোকানে ওই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

আরও পড়ুন:

এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তৃণমূলের বক্তব্য, ‘কবে থেকে সাধারণতন্ত্র দিবস ধর্মীয় উৎসব হয়ে গেল সেখানে আমিষ খাবার রাখাই যাবে না? বিআর আম্বেদকরের সংবিধান ভারতবাসীকে ইচ্ছেমতো খাওয়া, পরা, পছন্দের ভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা দেয়। সংবিধান অনুযায়ী এই দেশ সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক। আম্বেদকরকে দেশবাসী ভালোবাসে, পুজো করে। বিজেপি কি এমন পরিবর্তন বাংলার উপরও চাপিয়ে দিতে চাইছে? জনতা! সাবধান হোন।’

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *