শুভেন্দু গড়ের পুরসভাতেও মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল, কাঁথিতে পুরবোর্ড ভেঙে বসানো হল প্রশাসক

শুভেন্দু গড়ের পুরসভাতেও মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল, কাঁথিতে পুরবোর্ড ভেঙে বসানো হল প্রশাসক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


নাগরিক পরিষেবায় ব্যর্থ পুরসভা। তাই কাঁথির তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড ভেঙে দিল পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। প্রশাসক হিসেবে বসানো হল মহকুমাশাসক ধুমাল প্রতীক অশোককে। শুক্রবার এই মর্মে চিঠি এসে পৌঁছয় পুরসভায়। মনে করা হচ্ছে, পুর পরিষেবা সচল রাখতে এই পদক্ষেপ অগ্নিমিত্রা পলের দপ্তরের। এই পরিস্থিতিতে দ্রুতই সেখানে নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তবে শুভেন্দু অধিকারীর গড় কাঁথিতে পুরসভার এই বেহাল দশা শুরু হয়েছিল বেশ কয়েকদিন আগেই। পুরসভার অচলাবস্থা কাটাতে আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন কাঁথির বিজেপি সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় কারণ দর্শানোর জন্যে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে শোকজ নোটিসও পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত কাঁথি পুরসভার বোর্ড-অফ-কাউন্সিলরকে। সেটা ছিল গত ১৮ মে। ততদিনে পদত্যাগ করেছেন ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১৩ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। ঘটনাচক্রে কাঁথি পুরসভা এলাকাতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি। ফলে, সংশ্লিষ্ট পুরসভা ঘাসফুল শিবিরের হাতছাড়া হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে আন্দাজ ছিল রাজনৈতিক মহলের।

আরও পড়ুন:

গত ১৩ মে কাঁথি পুরসভা নিয়ে মহকুমাশাসকের তরফে একটি রিপোর্ট জেলাশাসক মারফত রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে জমা পড়ে। তাতে উল্লেখ করা হয়, কাঁথি পুরসভার ২১ টি ওয়ার্ডের ১৩জন পুর-প্রতিনিধি ইস্তফা দিয়েছেন। এতে পুরসভায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান অফিসে যাচ্ছেন না। নাগরিক পরিষেবা সহ অন্যান্য কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার আগে পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা নির্বাহী আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানিয়ছিলেন যে নিয়মিত পরিষেবা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁরা দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। ৫,৭, ১১, ২০ এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয়রাও।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে সুপ্রকাশের নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড-অফ-কাউন্সিলর্স’-কে পুর পরিষেবা দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। সে সময় কাউন্সিলাররা নোটিসের উত্তর দেন। তারপর অবশ্য কিছুই জানা যায়নি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় ধুয়ে মুছে সাফ হয়েছে ঘাসফুল শিবির। এমন পরিস্থিতিতে দিন কয়েক আগে পুরসভায় গিয়ে বৈঠক করেন সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। তারপরেই জল্পনা শুরু হয় পুরসভার মেয়াদ নিয়ে। সোমবার রাজ্যের সব পুরসভার উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছিলেন পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে কাঁথি পুরসভার প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানে মহকুমাশাসক প্রতীক অশোক ঘুমালকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুরমন্ত্রী। এবার পুরবোর্ড ভেঙে তাঁকেই প্রশাসকের ভার দেওয়া হল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *