লোকসভায় ‘অপারেশন লোটাসের’ নেপথ্যে কে? নাম সামনে আনলেন ‘বিদ্রোহী’ কাকলি

লোকসভায় ‘অপারেশন লোটাসের’ নেপথ্যে কে? নাম সামনে আনলেন ‘বিদ্রোহী’ কাকলি

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


লোকসভায় ‘অপারেশন লোটাস’। রাজ্যে বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খানখান হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘আসল তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে। এবার লোকসভাতেও ভাঙন। আজ, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দিলেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। পরিষদীয় দলের পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও ভাঙন। আপাতত ২৮ জনের মধ্যে ২০ সাংসদের সই করা চিঠি জমা পড়েছে। এক্ষেত্রে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। কিন্তু এই লোকসভায় ‘অপারেশন লোটাসের’ নেপথ্যে কে? সেই চর্চা জোর শুরু হয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

আজ, সোমবার রাতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন, ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাহলে কি এই ঘটনার নেতৃত্বে এখন তিনিই? সেই বিষয়ে সাংসদ জানান, তিনি কর্মী হিসেবেই কাজ করতে চান। তাঁর কথায়, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই। অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই। অনুন্নয়নের বিরুদ্ধে লড়াই। খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে লড়াই। সেই লড়াই করতে করতে এই জায়গায় এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মানুষের স্বার্থে, মানুষের কাজ করব এসেছি। মানুষের কাজ করতে পারছি না দেখে আমরা সবাই আলাদা বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” 

বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়। সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! সেখানেই এক এক করে আসতে থাকেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী-সহ একের পর এক বিদ্রোহী সাংসদ।

শুধু তাই নয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সেই কথাও এদিন ওই বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাকলি জানিয়েছেন। তাহলে কি এই ‘অপারেশন লোটাসের’ নেপথ্যে শুভেন্দু অধিকারীই? সেই জল্পনা তৈরি হল। প্রসঙ্গত, এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও দিল্লিতে ছিলেন। সূত্রের খবর, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান, অসিত মাল বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেও নিজেদের কিছু সমস্যার কথা বলেন। তারপরেই বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! সেখানেই এক এক করে আসতে থাকেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী-সহ একের পর এক বিদ্রোহী সাংসদ। ওই বৈঠকে সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে খবর।

মহারাষ্ট্রে এনসিপি, শিবসেনা দলে একইভাবে ভাঙন ধরেছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক, সাংসদরা দুই দল ভেঙে বেরিয়ে যান। দলের প্রতীক হাতছাড়া হয়েছিল এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার ও শিবসেনা নেতা উদ্ভব ঠাকরের। তাহলে কি তৃণমূল কংগ্রেসেও তেমন কিছু ঘটতে চলেছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি প্রতীক হারাবেন? সেই বিষয়ে তেমন কোনও কথা বলতে চাননি কাকলি। এনডিএর শরিক হচ্ছেন এই ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। তাহলে কি লোকসভায় বিজেপির আনা বিলগুলিতে তাঁদের সমর্থন থাকবে? সংসদের বাদল অধিবেশনে একাধিক বিল লোকসভায় পেশ হবে বলে খবর। সেসময় কি তাঁরা সেসব বিলের পক্ষেই থাকবেন? সেই প্রশ্ন এসেছিল। এক্ষেত্রেও ধোঁয়াশা রেখেছেন বারাসতের সাংসদ। আগামী দিনে কী হয়, দেখা যাক, বলেই জল্পনা রেখেছেন তিনি।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *