রাতে কামড়ে দিয়েছে স্ত্রী, সোজা এসএসকেএমে স্বামী! চিকিৎসকের পরামর্শ, ‘বউয়ের থেকে দূরে থাকুন’

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


‘গতরাতে স্ত্রী কামড়ে দিয়েছে’, ক্লিনিক্যাল নোটে তা বড় বড় হরফে লেখা। সরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ওপিডি টিকিটে চিকিৎসক সেই নোটের প্রেক্ষিতে পরামর্শও দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ, ‘বউয়ের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।’ রাজ্যের অন্যতম সেরা হাসপাতাল এসএসকেএম। সেই এসএসকেএম-এরই ফিজিকাল মেডিসিন বিভাগের ওপিডির এই টিকিট ভাইরাল। যদিও সেই ভাইরাল হওয়া টিকিটের সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক। প্রশ্ন উঠছে, এমন পরামর্শ কি সত্যিই দিয়েছেন চিকিৎসক? নাকি পুরোটাই সাজানো? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গতকাল, সোমবার সকাল থেকে এসএসকেএমের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের ওই প্রেসক্রিপশন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘুরছে ডাক্তারদের মোবাইলেও। ওপিডি টিকিটে স্পষ্ট হেলথ আইডি। রোগীর বয়সের জায়গায় লেখা ৫৭। লিঙ্গ পুরুষ। গত, ১৪ আগস্ট শনিবার নাকি ওই ব্যক্তি গিয়েছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের বর্হি বিভাগে। ওইদিন যে তিনজন চিকিৎসক ওপিডির ডিউটিতে থাকেন সেই ডা. অমলেশ বসাক, ডা. তুহিন রায়, ডা. স্বর্ণালী মণ্ডলের নামও রয়েছে টিকিটে। তাহলে কি তাঁদেরই কেউ ওই রোগীকে দেখে এমন পরামর্শ দিইয়েছেন? নাকি সবটাই নিছক মজা।

আরও পড়ুন:

কেউ কেউ বলছেন, এই টিকিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি। যদিও এসএসকেএমের ফিজিকাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা ধন্ধে। এমন রোগী ১৪ আগস্ট গিয়েছিলেন? মনে করতে পারছেন না ওপিডির দায়িত্বে থাকা নার্স, চিকিৎসকরা। সব থেকে বড় কথা, ওই প্রেসক্রিপশনে রোগীর নামের জায়গাটি ঢাকা রয়েছে। এদিকে সেই ভাইরাল প্রেসক্রিপশনে ‘ক্লিনিক্যাল নোটের জায়গায়’ লেখা ‘ওয়াইফ বাইট’। রোগীর ক্ষতস্থান লাল হয়ে ফুলে রয়েছে! গ্যাস সমস্যা, ব্যাথা কমানোর ওষুধ এবং ত্বকের সংক্রমণে ব্যবহৃত মলমও প্রেসক্রাইব করা হয়েছে রোগীকে।

প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের একাংশের মত, যেভাবে প্রেসক্রিপশন লেখা হয়েছে, তা খুব একটা কাঁচা হাতের কাজ নয়। প্রাথমিক ধারণা, অন্য কোথাও অনলাইনে ওই টিকিট বের করা হয়েছে। তারপরে তাতে ইচ্ছাকৃতভাবে এসব বিভ্রান্তিকর কথা লিখে, সেটি অন্য কাউকে দিয়ে সমাজমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। অনেকে আবার এটিকে নিছক মজা আকারেও দেখছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছে না। নেপথ্যে কার, কী উদ্দেশ্য আছে, খতিয়ে দেখতে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *