রাতভর হাজতে, ভোরে মুক্তি দেওয়া হল নেহা বোরাকে, প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্টে দীপকে

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


রাতভর আটক থাকার পর শনিবার ভোরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা। দিল্লির আর কে পুরম থানা থেকে সকালে মুক্তি দেওয়া হয় নেহাকে। তবে নেহা মুক্তি পেলেও ছাড়া পাননি ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে দীপকে-কে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই শুক্রবার বিকেল ৫টায় দিল্লিতে ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন অভিজিৎ দীপকে। সেখানে যোগ দিতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে বাড়ির সামনে থেকে আটক করা হয় অভিজিৎ দীপকেকে। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রধান। এর পর মান্ডি হাউসের কাছে থেকে আটক করা হয় আইসার সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরাকেও।

আরও পড়ুন:

রাতে আইসার তরফে দাবি করা হয়, নেহাকে কোনও অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়েছে, ‘নেহা বোরাকে একা আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নেহা কোথায়? দিল্লি পুলিশকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে। আবারও, একটি অপহরণ।’ নেহার কাছে ফোন নেই বলেও দাবি করেন সঙ্গীরা। একই রকম দাবি করা হয় দীপকের দইলের তরফেও। ককরোচ জনতা পার্টিরও দাবি, দীপকে-কে কোনও অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার সকালে নেহাকে ছাড়া হলেও দীপকে-কে ছাড়া হয়নি। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে ককরোচ পার্টির প্রধানকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্টে রাখা হয়েছে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং পুলিশের হাতে আটক সিজেপি নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কাদের মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি নিয়েছিলেন দীপকে। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন বিক্ষোভ আটকাতে তাঁকে আটক করা হতে পারে। শুক্রবার দীপকের বাড়িতে হানা দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচিতে তাঁকে যোগ দিতে বারণ করে নোটিস ধরানো হয়। পরে দীপকেকে আটক করা হয়। বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, হলুদ রঙের সোফায় বসে আছেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর কাঁধে জাতীয় পতাকা। যদিও সিজেপির দাবি, দীপকে-কে ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে সেটা তাঁরা জানেন না।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *