বিজেপি নেতাকে প্রাণে মারার চেষ্টা! গ্রেপ্তার রহিম নবির ভাই-সহ দুই তৃণমূল নেতা

বিজেপি নেতাকে প্রাণে মারার চেষ্টা! গ্রেপ্তার রহিম নবির ভাই-সহ দুই তৃণমূল নেতা

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


দাদা জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দুই প্রধানে দাপিয়ে খেলেছেন। কিন্তু ভাই গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে। বিজেপি নেতাকে মারধর এবং প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রহিম নবির ভাই ফিরোজকে। শনিবার রাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূল নেতা ফিরোজ-সহ দুই নেতা। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভও দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার পর। জানা গিয়েছে, ২৩ শে জুন সন্ধেয় পান্ডুয়া জিটি রোড সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে বসে চা খাচ্ছিলেন বিজেপি নেতা সেখ আব্বাস আলি। সেই সময় অতর্কিত তার ওপর হামলা চালায় ফিরোজ-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। আব্বাসকে বেধড়ক মারধর করা হয়। অভিযোগ, আব্বাসকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। প্রবল আঘাতে তাঁর কানের পর্দা ফেটে যায়। বাঁ কানে শ্রবণশক্তিও হারিয়েছে আব্বাস। তাঁর ফোন-সহ বেশ কিছু জিনিস হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ফিরোজের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:

রাজ্যে পালাবদলের পর গত ২৩ শে মে আব্বাস লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পান্ডুয়া থানায়। পান্ডুয়া থানার পুলিশ ঘটনা তদন্তে শনিবার রাতে ফিরোজ নবি এবং সেখ শফিককে গ্রেপ্তার করছে। রবিবার আদালতে নিয়ে যাবার পথে পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের সামনে ফিরোজদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। চোর চোর স্লোগানও ওঠে। পান্ডুয়া থানার ওসি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী হাজির হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

বিজেপি বিধায়ক তুষার মজুমদার জানান, “আব্বাস থানায় অভিযোগ জানিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। আইন আইনের পথেই চলছে। দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে আমি শুনেছি। যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন রহিম নবির ভাই।” আব্বাসের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন পুরনো ফাইল খোলা হবে তাতে উজ্জীবিত হয়ে আমি অভিযোগ দায়ের করেছি।” আপাতত দু’জনকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *